একটা সময় দুর্গাপুজোর মণ্ডপের ভাবনা শুরু হত খাতার পাতায়। শিল্পী পেনসিলে এঁকে রাখতেন প্রবেশপথ, গম্বুজ, দেওয়ালের নকশা। কোথাও মাটির কাজ, কোথাও বাঁশ-কাঠের কাঠামো, কোথাও কাপড়, শোলা কিংবা পরিত্যক্ত জিনিস দিয়ে তৈরি হত শিল্পের নতুন ভাষা। সেই আঁকা নকশা ধীরে ধীরে বদলে যেত বাস্তব মণ্ডপে।
এখন সেই গল্পে ঢুকে পড়েছে আর এক নতুন চরিত্র—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। কয়েকটি শব্দ লিখে দিলেই পর্দায় ফুটে উঠছে কল্পনার মণ্ডপ। কেমন হবে প্রবেশপথ, কোথায় থাকবে আলো, কী রকম হবে প্রতিমার আবহ, দেওয়ালে কী নকশা—কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই তার সম্ভাব্য ছবি তৈরি হয়ে যাচ্ছে। শিল্পী বা উদ্যোক্তার কাছে সেটি হয়ে উঠছে ভাবনার প্রথম খসড়া। সেই খসড়া দেখেই শুরু হচ্ছে মানুষের হাতে বাস্তব নির্মাণ। অর্থাৎ, এআই এখনও বাঁশ কাটছে না, কাঠ জোড়া লাগাচ্ছে না, মাটির প্রতিমা গড়ছে না। কিন্তু কল্পনাকে চোখের সামনে এনে দেওয়ার কাজটায় তার ভূমিকা ক্রমশ বাড়ছে।
মণ্ডপ তৈরির আগে ‘ছবিতে’ দেখা যাচ্ছে ভবিষ্যৎ
দুর্গাপুজোর মণ্ডপ তৈরির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলির একটি হল—মাথার ভিতরের ভাবনাকে অন্যদের বোঝানো। শিল্পীর কল্পনায় যে মণ্ডপ সম্পূর্ণ, উদ্যোক্তা বা কারিগরের কাছে সেটি সবসময় একই ভাবে ধরা পড়ে না।
সেখানেই এআইয়ের তৈরি ছবি কাজে লাগতে পারে। একটি নির্দিষ্ট ভাবনা, রং, উপকরণ কিংবা স্থাপত্যের ধরন লিখে দিলে তার সম্ভাব্য রূপ তৈরি করা যায়। ফলে মণ্ডপ তৈরির আগেই বোঝা সম্ভব হয়, ভাবনাটি দেখতে কেমন হতে পারে।
তবে এ ছবি শেষ কথা নয়। বাস্তব জায়গার মাপ, নিরাপত্তা, উপকরণ, আবহাওয়া, খরচ এবং কারিগরদের দক্ষতা—সবকিছুর সঙ্গে মিলিয়ে সেই কল্পনাকে নতুন করে সাজাতে হয়। তাই এআইয়ের ছবি আসলে নকশার সহকারী, নির্মাতা নয়। আর এখানেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে মানুষের ভূমিকা।

কলকাতায় এআই-ভাবনার মণ্ডপ
এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ মিলেছিল উত্তর কলকাতার জগৎ মুখার্জি পার্কে। ২০২৫ সালের পুজোয় তাদের ভাবনা ছিল—‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: আশীর্বাদ না অভিশাপ?’ শিল্পী সুবল পালের পরিকল্পনায় মণ্ডপকে এমন এক ভবিষ্যৎ পৃথিবীর রূপ দেওয়া হয়েছিল, যেখানে মানুষ ও যন্ত্রের সহাবস্থান যেমন রয়েছে, তেমনই প্রযুক্তির অতিরিক্ত নির্ভরতার আশঙ্কাও তুলে ধরা হয়েছে।
মণ্ডপের ভিতরে ছিল যান্ত্রিক নগরীর আবহ, কৃত্রিম আলোর ব্যবহার, কিবোর্ডের মতো উপাদান এবং রোবটের উপস্থিতি। দেবীর প্রতিমাতেও ছিল প্রযুক্তির ছোঁয়া। দেবীর প্রচলিত অস্ত্রের বদলে আলোর প্রক্ষেপণের মাধ্যমে এআই-ভাবনার অস্ত্র দেখানো হয়েছিল। মহিষাসুরকেও দেওয়া হয়েছিল যান্ত্রিক রূপ।
এই মণ্ডপের বিশেষত্ব শুধু প্রযুক্তির ব্যবহার নয়। প্রযুক্তি নিয়ে ভয়, নির্ভরতা, নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা—এই প্রশ্নগুলিকেও শিল্পের ভাষায় সামনে আনা হয়েছিল। অর্থাৎ এআই এখানে শুধু সাজসজ্জার উপকরণ ছিল না, গোটা শিল্পভাবনারই বিষয় হয়ে উঠেছিল।
শুধু মণ্ডপ নয়, আলপনাতেও এআই
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার যে কেবল মণ্ডপের নকশায় আটকে নেই, তার আর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ মিলেছিল নিউ টাউনে।
২০২৫ সালে নিউ টাউন সর্বজনীনের কাছে প্রায় ৫০০ ফুট দীর্ঘ একটি আলপনার নকশা এআইয়ের সাহায্যে তৈরি করা হয়েছিল। সেই নকশা অবশ্য যন্ত্র দিয়ে রাস্তায় আঁকা হয়নি। শিল্পী অনিন্দিতা দে এবং তাঁর সঙ্গে আরও ২০ জন শিল্পী হাতে সেই বিশাল আলপনা এঁকেছিলেন। প্রায় পাঁচ রাত ধরে চলে কাজ।
এই ঘটনাটি আসলে প্রযুক্তি ও শিল্পের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দেখায়। নকশা তৈরি করেছে প্রযুক্তি, কিন্তু তাকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে শিল্পে পরিণত করেছেন মানুষ। অর্থাৎ এআইয়ের কল্পনা তখনই পূর্ণতা পাচ্ছে, যখন শিল্পীর হাত তাকে বাস্তব রূপ দিচ্ছে।

দক্ষিণ কলকাতাতেও অন্য রকম প্রয়োগ
দক্ষিণ কলকাতার ফাল্গুনী সংঘের ২০২৫ সালের পুজোতেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে শিল্পের একটি আলাদা সংযোগ দেখা গিয়েছিল। সেখানে ইউরোপীয় শিল্প-প্রদর্শনশালার আদলে মণ্ডপ তৈরি করা হয় এবং প্রদর্শিত হয়েছিল প্রাক্তন আমলা দেবাশিস সেনের শিল্পকর্ম। তাঁর শিল্পভাবনার একটি বড় অংশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর।
এখানে এআই সরাসরি মণ্ডপের কাঠামো তৈরি করেনি। বরং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পকর্মকে দুর্গাপুজোর মণ্ডপের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ফলে পুজোমণ্ডপ হয়ে উঠেছিল এক ধরনের শিল্প-প্রদর্শনের জায়গা।
তাহলে কি শিল্পীর জায়গা নেবে এআই?
এই প্রশ্নটাই হয়তো সবচেয়ে বড়। দুর্গাপুজোর মণ্ডপশিল্প শুধু একটি ছবি দেখে বানিয়ে ফেলার বিষয় নয়। একটি মণ্ডপের পিছনে থাকে শিল্পীর ভাবনা, স্থানীয় কারিগরের দক্ষতা, বাঁশ-কাঠ-মাটি-ধাতু কিংবা নানা উপকরণের ব্যবহার, আলো-ছায়ার পরিকল্পনা এবং সবচেয়ে বড় কথা—একটি গল্প বলার চেষ্টা।
এআই হয়তো একসঙ্গে দশটি সম্ভাব্য নকশা দেখাতে পারে। কিন্তু কোন নকশাটি মানুষের সঙ্গে কথা বলবে, কোন উপাদানটি বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই হবে, কোথায় কীভাবে হাতের কাজ বসবে—সেই সিদ্ধান্ত এখনও মানুষেরই।
বরং নতুন সম্ভাবনাটা অন্য জায়গায়। আগে কোনও শিল্পী হয়তো একটি ভাবনাকে মাথায় রেখেই তার কয়েকটি রূপ কল্পনা করতেন। এখন প্রযুক্তির সাহায্যে একই ভাবনার বহু রূপ দ্রুত দেখা সম্ভব। ফলে পরীক্ষানিরীক্ষার সুযোগও বাড়ছে।
কত টাকা খরচ হয় এআই দিয়ে মন্ডপ- প্রতিমা তৈরি করতে?
এআইয়ের তৈরি নকশা অনুযায়ী মণ্ডপ তৈরি করতে বাঁশ, কাঠ, লোহা, কাপড়, মাটি, ফাইবার, রং, আলো-সহ বিভিন্ন উপকরণ প্রয়োজন হয়। সঙ্গে থাকে শিল্পী ও কারিগরদের পারিশ্রমিক। মণ্ডপ যত জটিল হবে, খরচও তত বাড়বে।
মোটামুটি হিসাবে ছোট আকারের এআই-ভাবনাভিত্তিক মণ্ডপ তৈরি করতে প্রায় ৫ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। মাঝারি আকারের ও তুলনামূলক জটিল থিমের ক্ষেত্রে খরচ ১৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা বা তার বেশি হতে পারে। বড় মাপের, অত্যন্ত জটিল এবং বিশেষ উপকরণে তৈরি মণ্ডপের বাজেট আবার কয়েক দশ লক্ষ থেকে কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২০২৫ সালের অসমের গুয়াহাটির একটি পুজোয় এআই দিয়ে নকশা করা ৫০ ফুটের মণ্ডপের জন্য প্রায় ২৭ লক্ষ টাকা এবং ১২ ফুটের প্রতিমার জন্য ৭৩.৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ ছিল। কলকাতার জগৎ মুখার্জি পার্কের এআই-ভাবনাভিত্তিক মণ্ডপ তৈরিতে আনুমানিক ২৭ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল।
এআই দিয়ে প্রতিমা তৈরির সময়সীমা
এআই দিয়ে মণ্ডপের প্রাথমিক ভাবনা ও নকশা তৈরি করতে কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। পুজো কমিটির পছন্দ অনুযায়ী নকশায় একাধিকবার পরিবর্তন করতে হলে সময় আরও বাড়ে।
এরপর শুরু হয় বাস্তব নির্মাণ। ছোট ও তুলনামূলক সহজ মণ্ডপ তৈরি করতে প্রায় ১৫–৩০ দিন লাগতে পারে। মাঝারি আকারের এবং বিস্তারিত কাজ থাকা মণ্ডপে ৩০–৬০ দিন সময় লাগতে পারে। আর বড়, জটিল বা বিশেষ কারিগরি কাজের মণ্ডপ তৈরি করতে দুই থেকে তিন মাস বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে।
অর্থাৎ এআই নকশা তৈরির সময় কমালেও মণ্ডপ তৈরির মূল সময় নির্ভর করে নকশার জটিলতা, আকার, উপকরণ এবং কারিগরের সংখ্যার উপর।
অন্যদিকে, এআই দিয়ে প্রতিমার মুখ, পোশাক, অলংকার, অঙ্গভঙ্গি বা সামগ্রিক অবয়বের নকশা তৈরি করতে কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। কিন্তু সেই নকশা দেখে শিল্পীকে মাটি দিয়ে প্রতিমা গড়তে হয়। সব মিলিয়ে বড় মন্ডপ করলে দুই থেকে তিন মাস আগে পরিকল্পনা শুরু করাই ভালো।
তবে রয়েছে কিছু প্রশ্নও
এআইয়ের তৈরি নকশা যত সহজলভ্য হচ্ছে, ততই সামনে আসছে মৌলিকতার প্রশ্ন। কোনও শিল্পীর তৈরি পুরনো নকশা বা অন্য শিল্পীর কাজের সঙ্গে মিল রয়েছে কি না, প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি ছবির প্রকৃত স্রষ্টা কে—এসব প্রশ্ন ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

আর একটি প্রশ্ন, প্রযুক্তি যদি খুব বেশি জায়গা নিয়ে নেয়, তাহলে হাতে তৈরি শিল্পের স্বাতন্ত্র্য কি ধীরে ধীরে কমবে?
দুর্গাপুজোর শিল্পের সৌন্দর্য তো শুধু চূড়ান্ত মণ্ডপে নয়। তার সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকে বাঁশ বাঁধা, মাটি মাখা, কাঠ কাটা, কাপড় রং করা, রাত জেগে সাজসজ্জা করা সেই অসংখ্য মানুষের শ্রমে। প্রযুক্তি সেই শ্রমকে প্রতিস্থাপন না করে যদি নতুন ভাবনার দরজা খুলে দেয়, তবেই তার ব্যবহার অর্থবহ হয়ে উঠবে।
বদলাচ্ছে শিল্প, হারাচ্ছে না শিল্পী
আসলে দুর্গাপুজোর ইতিহাসই পরিবর্তনের ইতিহাস। এক সময় যে উপকরণ নতুন ছিল, পরে সেটিই হয়ে উঠেছে পুজোর পরিচিত অংশ। কখনও পরিবেশবান্ধব উপকরণ, কখনও পুনর্ব্যবহৃত সামগ্রী, কখনও আলোকসজ্জা, কখনও চলমান দৃশ্য—প্রতিবারই প্রযুক্তি ও সময়ের সঙ্গে বদলেছে মণ্ডপের ভাষা।
এআই সেই পরিবর্তনেরই নতুন অধ্যায়। আজ হয়তো কম্পিউটার বা মুঠোফোনের পর্দায় তৈরি হচ্ছে মণ্ডপের প্রথম ছবি। আগামী দিনে হয়তো সেই ছবির সঙ্গে ত্রিমাত্রিক নকশা, আলোর পূর্বপরিকল্পনা কিংবা দর্শনার্থীর চলাচলের সম্ভাব্য পথও আগেই দেখা যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মণ্ডপে দাঁড়িয়ে দর্শক যে অনুভূতিটা পাবেন, সেটি তৈরি করতে হবে শিল্পকেই।Raise Your Concern About this Content
প্রতিমা শিল্পীদের যোগাযোগ নম্বর
১. প্রশান্ত পাল ( কুমারটুলি)
ফোন নম্বর: +91 94333 59617 / +91 98311 64846
ঠিকানা: ১, কুমোরটুলি স্ট্রিট, কলকাতা–৭০০০০৫
২. ইন্দ্রজিৎ পাল
ফোন: +91 90072 93886
ঠিকানা: ১/১, বনমালী সরকার স্ট্রিট, কুমোরটুলি, কলকাতা–৭০০০০৫
৩. কৌশিক ঘোষ
ফোন: +91 98305 09949
ঠিকানা: ৫০৩, রবীন্দ্র সরণি, কুমোরটুলি, কলকাতা–৭০০০০৫
৪. কুমোরটুলি আইডলস এক্সপোর্টার
ফোন: +91 89108 83980
ঠিকানা: ৪/এ, গোপেশ্বর পাল স্ট্রিট, কুমোরটুলি, কলকাতা–৭০০০০৫
৫. মিন্টু পাল স্টুডিও
ফোন: +91 79084 16269
ঠিকানা: ৫১১, রবীন্দ্র সরণি, কুমোরটুলি, কলকাতা–৭০০০০৫
৬. হেমন্ত কুমার পাল
ফোন: +91 90071 61727
ঠিকানা: ১/১, বনমালী সরকার স্ট্রিট, কুমোরটুলি, কলকাতা–৭০০০০৫
৭. মোহন বাঁশি রুদ্র পাল কর্মশালা ও স্টুডিও
ফোন: +91 93312 41212
ঠিকানা: ৪২কে, বনমালী সরকার স্ট্রিট, কুমোরটুলি, কলকাতা–৭০০০০৫
পরিশেষে বলা যায়, প্রযুক্তি হয়তো ভাবনাকে আরও দ্রুত দৃশ্যমান করবে, কিন্তু শিল্পের প্রাণ তৈরি হবে মানুষের অনুভূতি, শ্রম আর সৃষ্টিশীলতায়। তাই এআই হয়তো দুর্গাপুজোর শিল্পকে বদলে দিচ্ছে, কিন্তু শিল্পীকে সরিয়ে দিচ্ছে না। বরং খুলে দিচ্ছে নতুন এক দরজা—যেখানে যন্ত্রের কল্পনা আর মানুষের হাত মিলেমিশে তৈরি করছে আগামী দিনের মণ্ডপ।
শেষ পর্যন্ত দেবী তো মাটিরই প্রতিমা। সেই মাটিতে মানুষের হাতের স্পর্শ না থাকলে উৎসব পূর্ণ হয় না। ঠিক তেমনই, এআই যতই নিখুঁত ছবি আঁকুক, দুর্গাপুজোর শিল্পের আসল সৌন্দর্য বোধহয় সেখানেই—যন্ত্র দেখাবে স্বপ্নের ছবি, আর মানুষ সেই স্বপ্নে প্রাণ দেবে।
তথ্যসূত্র
১. এআই দিয়ে পুজো মন্ডপ তৈরি
২. এআই দিয়ে পুজো মন্ডপের ভাবনা
৩. মন্ডপ তৈরিতে এআই কীভাবে সাহায্য করছে
৪. দুর্গাপুজোয় এআই ব্যবহার



