পুজো কেন্দ্রীক অর্থনীতি : প্যান্ডেল থেকে ফুচকার দোকান
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো মানেই নতুন জামাকাপড়, প্যান্ডেল হপিং, ভোগ, আড্ডা আর রাতজাগা। কিন্তু একটু অন্যভাবে যদি দুর্গাপুজোর দিকে তাকাই? ধরুন, আপনি একটা প্যান্ডেলের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। সামনে ঢাক বাজছে, পাশে ফুচকার দোকান, একটু দূরে ঝালমুড়ি, আর প্যান্ডেলের ভিতরে চলছে আলোর খেলা। এই একটা দৃশ্যের পিছনে আসলে কত মানুষের রোজগার জড়িয়ে আছে, আমরা কি কখনও ভেবে দেখেছি?
মৃৎশিল্পী থেকে বাঁশের কারিগর, প্যান্ডেল শ্রমিক থেকে ইলেকট্রিশিয়ান, ঢাকি থেকে পুরোহিত, ফুল বিক্রেতা থেকে ক্যাটারার, ট্যাক্সিচালক থেকে হোটেল ব্যবসায়ী, দুর্গাপুজো বাংলার অর্থনীতিতে এমন একটি অর্থনৈতিক চক্র তৈরি করে, যার প্রভাব কয়েকটি প্যান্ডেলের গণ্ডি পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে গোটা রাজ্যে। এমনকি এর প্রভাব দেশের অন্যান্য প্রান্তের ব্যবসা ও পর্যটনেও পৌঁছয়।

British Council-এর Government of West Bengal-এর Tourism Department-এর জন্য করা একটি গবেষণায় দেখা যায়, ২০১৯ সালে দুর্গাপুজোকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের creative economy-র অর্থনৈতিক মূল্য ছিল প্রায় ₹৩২,৩৭৭ কোটি, যা তখন রাজ্যের GDP-র প্রায় ২.৫৮%। গবেষণাটি আরও দেখিয়েছিল, পুজো ঘিরে তৈরি হওয়া জীবিকা শুধু পাঁচ দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, অনেক পরিবার সারা বছরই এই উৎসব-নির্ভর কাজের সঙ্গে যুক্ত।
তাহলে প্রশ্নটা আরও বড়, একটা দুর্গাপুজো কীভাবে এত মানুষের রোজগারের সঙ্গে যুক্ত হয়?
প্যান্ডেল তৈরি থেকেই শুরু হয়
দুর্গাপুজোর অর্থনীতি বুঝতে গেলে প্রথমেই আসতে হবে প্যান্ডেলের কথায়। বাঁশ, কাঠ, কাপড়, দড়ি, থার্মোকল, রং, আলো—প্যান্ডেল তৈরিতে কত ধরনের উপকরণ লাগে। আর এগুলি শুধু দোকান থেকে কিনে এনে সাজিয়ে দিলেই তো কাজ শেষ নয়। প্রয়োজন বাঁশের কারিগর, কাঠমিস্ত্রি, ডিজাইনার, প্যান্ডেল শ্রমিক, ওয়েল্ডার, ইলেকট্রিশিয়ান এবং পরিবহণকর্মী। অর্থাৎ একটি প্যান্ডেলের বাজেটের টাকা এক জায়গায় থেমে থাকে না। তা এক ব্যবসা থেকে আরেক ব্যবসায় যায়, সেখান থেকে শ্রমিকের মজুরি হয়ে আবার স্থানীয় বাজারে ফিরে আসে।
এই কারণেই অর্থনীতিবিদেরা দুর্গাপুজোকে অনেক সময় multiplier effect-এর উদাহরণ হিসেবে দেখেন। ২০২২ সালে Forum for Durgotsav-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পুজোকে কেন্দ্র করে রাজ্যে প্রায় ₹৪০,০০০ কোটি টাকার লেনদেন এবং ২–৩ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সঙ্গে উৎসবটি যুক্ত। সেই হিসাবের মধ্যে প্যান্ডেল, প্রতিমা, আলো, নিরাপত্তা, ক্যাটারিং থেকে শুরু করে ফ্যাশন ও পর্যটন, বিভিন্ন ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত।

কুমোরটুলির মৃৎশিল্পী থেকে গ্রামের কারিগর
দুর্গাপুজোর অর্থনীতির সবচেয়ে দৃশ্যমান অংশগুলির মধ্যে একটি হল প্রতিমা। কুমোরটুলির মতো জায়গায় মাসের পর মাস ধরে প্রতিমা তৈরির কাজ চলে। মাটি সংগ্রহ, কাঠামো তৈরি, খড় বাঁধা, মাটি দেওয়া, শুকানো, রং করা, সাজসজ্জা, প্রতিটি ধাপে আলাদা শ্রম ও দক্ষতা প্রয়োজন।
শুধু কলকাতার কুমোরটুলিই নয়, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মৃৎশিল্পী ও কারিগরও পুজোর বাজারের সঙ্গে যুক্ত। ২০২৩ সালের একটি প্রতিবেদনে কুমোরটুলির প্রায় ৫০০-র বেশি শিল্পীর তৈরি ৫,০০০-এর বেশি দুর্গাপ্রতিমা বিক্রির কথা উঠে এসেছিল। আর প্রতিমার সঙ্গে যুক্ত থাকে বাঁশ, কাঠ, রং, কাপড়, গয়না, চুল, শোলা এবং অন্যান্য উপকরণের বাজার। ফলে এটি অনায়াসেই বলা যায় যে, একটি দুর্গাপ্রতিমা তৈরি আসলে অনেক ছোট ব্যবসার সম্মিলিত ফল।
আলোর ব্যবসাও ছোট নয়
পুজোর সময় কলকাতার রাস্তা বা কোনও জেলার ছোট শহরের বাজার দেখলেই বোঝা যায়, আলোর গুরুত্ব কতটা। LED light, decorative lighting, electrical wiring, generator, sound system, সবকিছুরই চাহিদা বাড়ে। বড় পুজোগুলিতে আলোর থিম তৈরি করতে বিশেষজ্ঞ দল কাজ করে। তাঁদের সঙ্গে যুক্ত থাকেন ডিজাইনার, ইলেকট্রিশিয়ান, শ্রমিক ও পরিবহণকর্মী। অর্থাৎ আপনি যে আলোর ছবি মোবাইলে তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করছেন, তার পিছনেও একটি সম্পূর্ণ ক্ষুদ্র অর্থনীতি কাজ করছে।
তারপর আসে পুজোর ফ্যাশন
দুর্গাপুজো বাঙালির কাছে shopping season-ও। নতুন জামা, শাড়ি, পাঞ্জাবি, জুতো, ব্যাগ, প্রসাধনী, পুজোর আগে কেনাকাটা বাড়ে। এর ফলে বড় শপিং মল যেমন লাভবান হয়, তেমনই স্থানীয় বাজারের ছোট দোকানদারও উপকৃত হন।
২০১৯ সালের British Council গবেষণাতেও দুর্গাপুজোর সঙ্গে fashion, retail, food, advertising, publishing, tourism, hospitality এবং বিভিন্ন creative industry-র সম্পর্ক উঠে এসেছিল। এখানে অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে, সব টাকা বড় কোম্পানির কাছে যায় না। একটি শাড়ির দোকানে বিক্রি বাড়লে দোকানের কর্মচারী, পরিবহণকারী, সরবরাহকারী, অনেকের আয় বাড়তে পারে। অর্থাৎ consumer spending-এর প্রভাব একাধিক স্তরে ছড়িয়ে যায়।
ফুচকা, ঝালমুড়ি আর চায়ের দোকানও কিন্তু অর্থনীতির অংশ
এবার আসি সেই জায়গায়, যেখানে দুর্গাপুজোর অর্থনীতি সবচেয়ে সহজে চোখে পড়ে। প্যান্ডেলের বাইরে ফুচকার দোকান। পাশে এগ রোল। একটু দূরে চাউমিন, বিরিয়ানি, ঝালমুড়ি, কফি, আইসক্রিম। আর রাত বাড়লে চায়ের দোকানে ভিড়। একটি বড় পুজোমণ্ডপে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এলে রাস্তার ছোট খাবারের দোকানগুলির বিক্রিও বাড়ে। শুধু স্থায়ী দোকান নয়, অনেক অস্থায়ী বিক্রেতাও পুজোর সময় ব্যবসা করেন।
২০২৫ সালের দুর্গাপুজো নিয়ে Times of India-র একটি প্রতিবেদনে পশ্চিমবঙ্গের পুজো-অর্থনীতি প্রায় ₹৬৫,০০০ কোটি বলে শিল্প ও ব্যবসায়িক সূত্রের অনুমান প্রকাশ করা হয়। একই প্রতিবেদনে কলকাতার রেস্তোরাঁগুলিতে পুজোর সময়ে ২০–২৫% footfall বৃদ্ধির এবং প্রায় ₹১,২০০–১,৫০০ কোটি restaurant revenue-এর হিসাব দেওয়া হয়েছিল। অবশ্য এগুলি সরকারি জাতীয় হিসাব নয়; বিভিন্ন শিল্প সংগঠন ও অর্থনৈতিক পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে করা estimate। তাই সংখ্যাগুলিকে নির্দিষ্ট সরকারি GDP হিসেবে ধরা যাবে না।
ঢাকি, পুরোহিত, ফুলওয়ালা—পুজোর নিজস্ব কর্মসংস্থান
দুর্গাপুজোর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত আরও কত পেশা রয়েছে যেমন ঢাকির দল, পুরোহিত, ফুল বিক্রেতা, মিষ্টির দোকান, ভোগ রান্নার কর্মী, সবাই পুজোর অর্থনীতির অংশ। এর মধ্যে অনেক কাজই seasonal। অর্থাৎ সারা বছর একই মাত্রায় কাজ থাকে না। পুজোর কয়েক মাস আগে থেকেই কাজের চাপ বাড়তে শুরু করে। এই জায়গাটাই দুর্গাপুজোর অর্থনীতিকে অন্যরকম করে তোলে। পাঁচ দিনের উৎসব হলেও তার জন্য প্রস্তুতি চলে কয়েক মাস ধরে।
পরিবহণে বাড়ে আয়
একটা পুজোয় মানুষ শুধু প্যান্ডেলে যায় না—এক প্যান্ডেল থেকে অন্য প্যান্ডেলে যায়। আর এখানেই transport economy-র বড় ভূমিকা। বাস, অটো, ট্যাক্সি, অ্যাপ-ক্যাব, মেট্রো, ট্রেন, সব ক্ষেত্রেই যাত্রীর চাপ বাড়ে। ২০২৫ সালের পঞ্চমী থেকে দশমী পর্যন্ত কলকাতা মেট্রোতে ৪৬.৫৬ লক্ষের বেশি যাত্রী যাতায়াত করেছিলেন বলে Metro কর্তৃপক্ষের তথ্য উদ্ধৃত করে Indian Express জানিয়েছিল। এই বিপুল চলাচলের সঙ্গে যুক্ত থাকে চালক, পরিবহণকর্মী, স্টেশন কর্মী, নিরাপত্তারক্ষী, পার্কিং কর্মী এবং আরও বহু পরিষেবা।

হোটেল, রেস্তোরাঁ ও পর্যটনের জন্যও বড় সুযোগ
দুর্গাপুজো এখন শুধু স্থানীয় উৎসব নয়; এটি cultural tourism-এরও একটি গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ কলকাতায় পুজো দেখতে আসেন। বিদেশি পর্যটকদের মধ্যেও কলকাতার দুর্গাপুজোর প্রতি আগ্রহ রয়েছে। ফলে hotel, restaurant, travel agency, tour operator, guide, photography service, বিভিন্ন ব্যবসায় সুযোগ তৈরি হয়।
British Council-এর গবেষণাও মনে করিয়েছিল যে দুর্গাপুজোর অর্থনৈতিক প্রভাব হিসাব করতে tourism, logistics, banking, financial services এবং unorganised retail-এর মতো ক্ষেত্রগুলিকেও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
জাতীয় পর্যায়ে tourism-ও একটি বড় কর্মসংস্থান তৈরি করা ক্ষেত্র। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩–২৪ সালে ভারতের tourism sector সরাসরি ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৮.৪৬ কোটি কর্মসংস্থানকে সমর্থন করেছে এবং GDP-তে এর অংশ ছিল প্রায় ৫.২২%। দুর্গাপুজো অবশ্য এই পুরো সংখ্যার কারণ নয়; বরং উৎসব-ভিত্তিক tourism কীভাবে বৃহত্তর tourism economy-র সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, তার একটি উদাহরণ।
পুজোর বিজ্ঞাপনেও তৈরি হয় আলাদা বাজার
এখনকার দুর্গাপুজো sponsorship ছাড়া ভাবাই কঠিন। বড় পুজোর প্যান্ডেলে দেখবেন বিভিন্ন কোম্পানির logo, branding, hoarding, LED screen, social media campaign। ফলে advertising agencies, event management companies, graphic designers, photographers, content creators এবং media organisations-এরও কাজ বাড়ে। অর্থাৎ পুজো এখন traditional economy এবং modern marketing economy- দুটোরই সমান প্রয়োজনীয়তা আছে।
কলকাতার বাইরে পুজো
দুর্গাপুজোর অর্থনীতি শুধু কলকাতাকেন্দ্রিক নয়। শিলিগুড়ি, আসানসোল, দুর্গাপুর, হাওড়া, হুগলি, মালদা, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বিভিন্ন জেলায় ছোট-বড় পুজোকে ঘিরে স্থানীয় বাজার তৈরি হয়।
একইভাবে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, পুনে-সহ বহু শহরে বাঙালি সংগঠনগুলির দুর্গাপুজো হয়। সেখানে স্থানীয় খাবার, সাজসজ্জা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, catering এবং event management-এর সঙ্গে যুক্ত ব্যবসারও সুযোগ তৈরি হয়। অর্থাৎ দুর্গাপুজোর সাংস্কৃতিক footprint যত বাড়ছে, তার অর্থনৈতিক footprint-ও তত বিস্তৃত হচ্ছে।Raise Your Concern About this Content
তাহলে একটা দুর্গাপুজো কত মানুষের রোজগার তৈরি করে?
এই প্রশ্নের উত্তর আসলে এক লাইনে দেওয়া কঠিন। কারণ একটি পুজো কমিটির বাজেট দিয়ে দুর্গাপুজোর মোট কর্মসংস্থান মাপা যায় না। একজন প্রতিমাশিল্পী থেকে যে অর্থের প্রবাহ শুরু হয়, তা কাঁচামালের সরবরাহকারী, শ্রমিক, পরিবহণকারী, দোকানদার এবং অন্য পরিষেবায় ছড়িয়ে পড়ে।

British Council-এর ২০১৯ সালের গবেষণা দুর্গাপুজো-সংলগ্ন creative economy-র মূল্য ₹৩২,৩৭৭ কোটি হিসাব করেছিল। পরবর্তী বছরগুলিতে বিভিন্ন শিল্প সংগঠন ও সংবাদমাধ্যমের estimates এই অর্থনীতির আরও বড় আকারের কথা বলেছে। ২০২৫ সালে Times of India প্রায় ₹৬৫,০০০ কোটি এবং Telegraph-এ প্রায় ₹৫০,০০০ কোটির কাছাকাছি বাজারের stakeholder estimates প্রকাশিত হয়েছিল। বিভিন্ন সংজ্ঞা, এলাকা ও খাত অন্তর্ভুক্ত করার পার্থক্যের কারণে এই সংখ্যাগুলিকে সরাসরি একে অপরের সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়।
শেষ কথা: পুজোর আলোয় যে অর্থনীতিটা আমরা দেখতে পাই না
দুর্গাপুজোয় আমরা সাধারণত দেখি ঠাকুর, প্যান্ডেল, আলো আর ভিড়। কিন্তু সেই দৃশ্যের আড়ালে থাকে আরও একটি গল্প। একজন শিল্পী প্রতিমা তৈরি করছেন। একজন শ্রমিক প্যান্ডেল বাঁধছেন।
একজন ইলেকট্রিশিয়ান আলো লাগাচ্ছেন। একজন ঢাকি দূরের গ্রাম থেকে শহরে এসেছেন।
একজন ফুচকাওয়ালা পাঁচ দিনের ব্যবসার অপেক্ষায় আছেন। একজন দোকানদার নতুন stock তুলেছেন। একজন ট্যাক্সিচালক রাতভর যাত্রী নিয়ে ঘুরছেন। একটি ছোট রেস্তোরাঁ পুজোর ভিড়ের জন্য অতিরিক্ত কর্মী নিয়েছে। এই ছোট ছোট আয়গুলো একসঙ্গে মিলে তৈরি করে বড় একটি অর্থনৈতিক প্রবাহ।
তাই দুর্গাপুজোকে শুধু ধর্মীয় উৎসব বা সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে দেখলে ছবির একটা বড় অংশ বাদ পড়ে যায়। এটি বাংলার creative economy, informal economy, retail, tourism, hospitality এবং seasonal employment—সবকিছুকে একসঙ্গে নাড়িয়ে দেওয়া একটি বিশাল সামাজিক-অর্থনৈতিক ঘটনা।
আর তাই প্যান্ডেলের সামনে দাঁড়িয়ে পরের বার যখন ফুচকার প্লেট হাতে নেবেন, মনে রাখবেন—সেই ফুচকার দামটুকুও হয়তো বাংলার পুজো-অর্থনীতির বিশাল পরিবেশের একটি ছোট অংশ।
তথ্যসূত্র
১. British Council ও West Bengal Tourism Department-এর Mapping the Creative Economy around Durga Puja গবেষণা
২. Times of India: ২০২৫ সালের Durga Puja economy ও sector-wise spending estimates
৩. Indian Express/PTI: Durga Puja-কে ঘিরে কর্মসংস্থান ও বিভিন্ন শিল্পে ব্যবসা বৃদ্ধির তথ্য
৪. Ministry of Tourism/PIB: ভারতের tourism economy
৫. Ministry of Tourism/PIB: ভারতের employment economy



