Homeভ্রমণপ্রিয় কালামের রামেশ্বরমে একদিন

প্রিয় কালামের রামেশ্বরমে একদিন

ভারতের দক্ষিণ প্রান্তে বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের মিলনস্থলের কাছে অবস্থিত ছোট্ট দ্বীপ রামেশ্বরম। চারদিকে নীল সমুদ্র, নারকেল গাছের সারি আর শান্ত, নির্মল পরিবেশে শান্তির খোঁজে বারবার রামেশ্বরমে ভিড় করেন ভ্রমণপ্রেমী মানুষ। দক্ষিণের এই ছোট্ট শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ‘মিসাইল ম্যান অব ইন্ডিয়া’ ড. এ. পি. জে. আব্দুল কালাম। রামেশ্বরমেই রয়েছে চার ধামের অন্যতম ধাম রামনাথস্বামী মন্দির। রামেশ্বরম শুধু একটি তীর্থস্থান নয়, বরং প্রকৃতি, ইতিহাস ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক অপূর্ব মিলনভূমি। 

রামনাথস্বামী মন্দির 

সংস্কৃত ভাষায় ‘রামেশ্বরম’ শব্দের অর্থ ‘রামের ঈশ্বর’ (রাম-ঈশ্বরম)। মনে করা হয়, এটি ভগবান শিবের একটি বিশেষ উপাধি এবং রামনাথস্বামী মন্দিরের অধিষ্ঠাত্রী দেবতার নাম।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার : Google

হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অনুসারে, ভগবান বিষ্ণুর সপ্তম অবতার শ্রীরাম, শ্রীলঙ্কায় রাবণকে পরাজিত করার পর ভগবান শিবের আরাধনা করেন। পুরাণের বর্ণনা অনুযায়ী, ঋষিদের পরামর্শে শ্রীরাম তাঁর পত্নী সীতা এবং ভাই লক্ষ্মণকে সঙ্গে নিয়ে শিবলিঙ্গের পুজো করেন।

শিবপুজোর জন্য শ্রীরাম তাঁর বিশ্বস্ত ভক্ত ও অনুচর হনুমানকে হিমালয় থেকে একটি শিবলিঙ্গ নিয়ে আসার নির্দেশ দেন। কিন্তু হনুমানের ফিরতে দেরি হওয়ায়, সীতা কাছের সমুদ্রতটের বালি দিয়ে একটি শিবলিঙ্গ নির্মাণ করেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, সেই বালির শিবলিঙ্গই আজও রামনাথস্বামী মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।

রামেশ্বরম দ্বীপে পৌঁছানোর প্রায় ২২ কিলোমিটার আগে অবস্থিত সেতুকারাই নামক স্থানটিকেই সেই স্থান বলে মনে করা হয়, যেখান থেকে শ্রীরাম ভাসমান পাথর দিয়ে রামসেতু নির্মাণ শুরু করেছিলেন। এই সেতু রামেশ্বরমের ধনুষ্কোডি হয়ে শ্রীলঙ্কার তালাইমান্নার পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল বলে বিশ্বাস করা হয়।

 ড. এ. পি. জে. আব্দুল কালাম ও রামেশ্বরম

অনেকেই জানেন না, রামেশ্বরমে এক সাধারণ তামিল মুসলিম পরিবারে জন্ম ও বেড়ে ওঠা ড. এ. পি. জে. আব্দুল কালামের। ১৯৩১ সালের ১৫ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

তাঁর বাবা জয়নুলাবেদীন মারাক্কার ছিলেন একটি নৌকার মালিক এবং স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম। তাঁর মা আশিয়াম্মা ছিলেন একজন গৃহিণী। কালামের বাবার নৌকা করে রামেশ্বরম ও ধনুষ্কোডির মধ্যে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের পারাপার করাতেন। ধর্মীয় সম্প্রীতির এই পরিবেশেই আব্দুল কালামের শৈশব কেটেছিল, যা তাঁর মানবিক মূল্যবোধ ও উদার চিন্তাধারাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

তিনি পদার্থবিজ্ঞান এবং পরে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। কর্মজীবনের পরবর্তী প্রায় চার দশক তিনি ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ISRO-তে বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান প্রশাসক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ভারতের মহাকাশ কর্মসূচি এবং ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন প্রকল্পে তাঁর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মিসাইল প্রযুক্তির উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ‘মিসাইল ম্যান অব ইন্ডিয়া’ নামে খ্যাতি অর্জন করেন।

এছাড়াও, ১৯৯৮ সালে পরিচালিত পোখরান–২ পরমাণু পরীক্ষায় তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এটি ছিল ১৯৭৪ সালের প্রথম পরমাণু পরীক্ষার পর ভারতের দ্বিতীয় সফল পারমাণবিক পরীক্ষা।

২০০২ সালে ড. কালাম ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তাঁর সহজ-সরল জীবনযাপন, ছাত্র-যুবসমাজের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের জন্য তিনি ‘জনগণের রাষ্ট্রপতি’ হিসেবে সবার মাঝে পরিচিত ছিলেন।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার : Google

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব শেষ করার পর তিনি শিক্ষকতা, লেখালেখি এবং জনসেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন। দেশের বিজ্ঞান, শিক্ষা ও জাতীয় উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ভারতের সর্বোচ্চ সম্মান ‘ভারতরত্ন’-সহ বহু মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হন।

হাউস অব কালাম

রামেশ্বরমে এখনও  ড. এ. পি. জে. আব্দুল কালামের বাড়িটি রয়েছে।  সেই স্মৃতিকে সংরক্ষণ করতেই ২০১১ সালে তাঁর বাড়িটিকে একটি স্মৃতি সংগ্রহশালা হিসেবে গড়ে তোলা হয়। উদ্দেশ্য ছিল রামেশ্বরমে আগত দর্শনার্থীরা যেন এই মহান ব্যক্তিত্বের জীবন, সংগ্রাম ও সাফল্য সম্পর্কে সঠিক ও বিস্তারিত ধারণা লাভ করতে পারেন।

এই বাড়ির জায়গাতেই অবস্থিত একটি ছোট কুঁড়েঘরে জন্ম নেন ড. কালাম। পরবর্তীকালে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই বাড়িটি সংস্কার ও সম্প্রসারণ করে পরিবারের বসবাসের উপযোগী একতলা পাকা বাড়িতে রূপান্তরিত করা হয়।

বর্তমানে এই সংগ্রহশালায় ড. কালামের শৈশব থেকে রাষ্ট্রপতি হয়ে ওঠার দীর্ঘ যাত্রার নানা স্মৃতি সংরক্ষিত রয়েছে। এখানে তাঁর ছোটবেলার অসংখ্য আলোকচিত্র, ছাত্রজীবনের বিভিন্ন মুহূর্ত, একজন সাধারণ শহরের ছেলে কীভাবে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ও রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হতে হয়েছেন, সেইসবের অনন্য দলিল তুলে ধরা হয়েছে।

এছাড়া মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা গবেষণায় তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান, বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক প্রকল্পে তাঁর ভূমিকা, জীবনের নানা পর্যায়ে প্রাপ্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা, পদক এবং পুরস্কারের তথ্যও এই সংগ্রহশালায় সুন্দরভাবে প্রদর্শিত হয়েছে।

তাই আপনি যদি রামেশ্বরম যান, তাহলে অবশ্যই হাউস অব কালাম ঘুরে দেখার চেষ্টা করুন। এই সংগ্রহশালা শুধু একজন রাষ্ট্রপতির স্মৃতিবিজড়িত স্থান নয়, বরং একজন সাধারণ পরিবারের ছেলের অসাধারণ সাফল্যের অনুপ্রেরণার ইতিহাস, যা প্রতিটি দর্শনার্থীর মনে গভীর ছাপ ফেলে।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার : Google

এ. পি. জে. আব্দুল কালাম মেমোরিয়াল 

ড. এ. পি. জে. আব্দুল কালাম মেমোরিয়াল আব্দুল কালামের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত একটি স্মৃতিসৌধ। এটি ভারতের তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমের পেইকারুম্বু এলাকায় অবস্থিত।

এই স্মৃতিসৌধটি প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা অর্থাৎ DRDO  নির্মাণ ও নকশা করে। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ড. কালামের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা এবং একই সঙ্গে ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও জাতিগত বৈচিত্র্যকে তুলে ধরা।

২০১৭ সালের ২২ জুলাই, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন।

জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে নির্মিত এই স্মৃতিসৌধে মুঘল ও ভারতীয় স্থাপত্যশৈলীর অপূর্ব সমন্বয় লক্ষ্য করা যায়। এর নকশা শুধু ড. কালামের জীবন ও আদর্শকেই স্মরণ করিয়ে দেয় না, বরং ভারতের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি, ঐক্য এবং বৈচিত্র্যেরও এক অনন্য প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

২০১৫ সালের ২৭ জুলাই, ড. এ. পি. জে. আব্দুল কালাম মেঘালয়ের শিলং-এ অবস্থিত ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট শিলং-এ ‘Creating a Livable Planet Earth’ শীর্ষক একটি বক্তৃতা দিতে যান। অনুষ্ঠান চলাকালীন মঞ্চেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা জানান, হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। তাঁর জীবনের শেষ সময়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন ব্যক্তিগত সামগ্রী আজও এই মেমোরিয়ালে যত্নসহকারে সংরক্ষিত রয়েছে।

পামবান ব্রিজ

পামবান ব্রিজ এক অনন্য বিস্ময়, যা প্রত্যেক দর্শকের মনকে মুগ্ধ করে। মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে পাম্বান দ্বীপের রামেশ্বরম শহরকে সংযুক্ত করেছে। এই সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেনে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা জীবনে ভোলার মতো নয়। ১৯১৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন হওয়া এই সেতুটি ছিল ভারতের প্রথম সমুদ্রসেতু। ২০১০ সালে মুম্বইয়ের বান্দ্রা–ওরলি সি লিঙ্ক চালু হওয়ার আগে পর্যন্ত এটিই ছিল ভারতের দীর্ঘতম সমুদ্রসেতু।২০২০ সালে পুরোনো সেতুর কাছেই একটি নতুন রেলসেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

নতুন পাম্বান সেতুর নির্মাণকাজ ২০২৪ সালে সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

ধনুষ্কোডি

ধনুষ্কোডি পাম্বান দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত একটি পরিত্যক্ত জনপদ। এটি পাম্বান শহরের দক্ষিণ-পূর্বে এবং শ্রীলঙ্কার তালাইমান্নার থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত।

১৯৬৪ সালের ভয়াবহ রামেশ্বরম ঘূর্ণিঝড়ে ধনুষ্কোডি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। সেই বিপর্যয়ের পর থেকে এই জনপদে আর স্থায়ীভাবে মানুষের বসবাস নেই। তবুও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং হিন্দু পুরাণের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক থাকায় ধনুষ্কোডি আজও পর্যটকদের কাছে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় আকর্ষণ।

ধনুষ্কোডি পাম্বান দ্বীপের একেবারে শেষ প্রান্তে অবস্থিত। পক প্রণালী এই দ্বীপটিকে ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে পৃথক করেছে। 

পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে এই স্থানে থেকে শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত রাম সেতুর অবস্থানও কথা প্রচলিত রয়েছে। 

কীভাবে রামেশ্বরম যাবেন?

রামেশ্বরমে কোনও বিমানবন্দর নেই। সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দর হলো মাদুরাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যা রামেশ্বরম থেকে প্রায় ১৭৫–১৮০ কিমি দূরে। সেখান থেকে ট্যাক্সি বা সরকারি/বেসরকারি বাসে ৩.৫–৪ ঘণ্টায় রামেশ্বরম পৌঁছানো যায়।Raise Your Concern About this Content

রামেশ্বরমের নিজস্ব রেলস্টেশন রয়েছে। চেন্নাই, মাদুরাই, তিরুচিরাপল্লি, কোয়েম্বাটুর, বারাণসী, ওখা-সহ ভারতের বিভিন্ন শহর থেকে সরাসরি বা সংযোগকারী ট্রেন চলাচল করে। ট্রেনে গেলে ঐতিহাসিক পাম্বান সেতু পার হওয়ার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার : Google

তামিলনাড়ুর প্রায় সব বড় শহর চেন্নাই, তিরুচিরাপল্লি, কোয়েম্বাটুর, কন্যাকুমারী ইত্যাদি থেকে নিয়মিত সরকারি ও বেসরকারি বাস রামেশ্বরমে যায়। এছাড়া নিজস্ব গাড়ি বা ট্যাক্সিতেও জাতীয় সড়ক ধরে সহজেই পৌঁছানো যায়।

কোথায় থাকবেন?

মন্দিরের কাছাকাছি প্রচুর হোটেল রয়েছে। ৮০০ থেকে ২০০০ রুমভাড়া। মন্দিরের ওয়েস্ট গেটের কাছাকাছি হোটেল নিলে, মন্দিরের পাশপাশি কালামের বাড়ি ও সমস্ত দর্শনীয় স্থান কাছে পড়বে। 

শ্রী রাঙ্গানাথার, নিউ আইল্যান্ড স্টারের মতো হোটেলে থাকার জন্য বেছে নিতে পারেন। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নেওয়া ভালো। 

উপসংহার

বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের মিলনস্থলে অবস্থিত এই দ্বীপভূমি প্রতিটি ভ্রমণপিপাসুর মনে আলাদা ছাপ ফেলবে। ধর্মীয় বিশ্বাস, ঐতিহাসিক ঐতিহ্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব সমন্বয়ে রামেশ্বরম এমন এক গন্তব্য, যা একবার ঘুরে এলে তার স্মৃতি দীর্ঘদিন হৃদয়ে অমলিন হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র- 

১. ইকোনমিক টাইমস
২. রামনাথস্বামী মন্দির
৩. হাউস অফ কালাম
৪. পাম্বান সেতু

বিশ্বয়নী দত্ত
বিশ্বয়নী দত্ত
কলকাতা বিশ্ববিদ্য়ালয় থেকে জার্নালিজম এবং মাস কমিউনিকেশনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গত কয়েক বছর ধরে জাতীয় প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকতা ও কন্টেট রাইটিং-এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। লেখালেখির প্রতি তাঁর বিশেষ অনুরাগ রয়েছে । ব্যস্ত জীবনের একঘেয়েমি কাটাতে মাঝেমধ্যে পাহাড়ে ঘুরতে যেতে ভালবাসেন।
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

বাংলা ক্যালেন্ডার

- বিজ্ঞাপন -spot_img

Most Popular

Recent Comments