গণেশ চতুর্থী কেন পালন করা হয়? গজাননের জন্মকথা, ইতিহাস ও পুজোর মাহাত্ম্য
মোদকের মিষ্টি গন্ধ, ধূপের ধোঁয়া, ফুলের সাজ আর চারপাশে ভেসে আসা ‘গণপতি বাপ্পা মোরিয়া’ ধ্বনি—গণেশ চতুর্থী এলেই যেন উৎসবের রঙে নতুন করে সেজে ওঠে ভারত। কোথাও বাড়ির ছোট্ট ঠাকুরঘরে, কোথাও আবাসনের পুজোমণ্ডপে, আবার কোথাও বিশাল প্যান্ডেলে বিরাজ করেন গজানন। তাঁকে ঘিরে শুধু ধর্মীয় আচার নয়, জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস, পুরাণ, লোকবিশ্বাস এবং মানুষের একসঙ্গে আনন্দ করার ঐতিহ্যও।
হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী। ইংরেজি ক্যালেন্ডারে সাধারণত অগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে পড়ে এই উৎসব। চলতি বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে, গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। এই দিনটিকে গণেশের জন্মদিন হিসেবে মান্য করেন ভক্তরা। কোথাও এটি ‘বিনায়ক চতুর্থী’ নামেও পরিচিত।
জ্ঞান, বুদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা
হাতির মাথা, বড় কান, ছোট চোখ, দীর্ঘ শুঁড়—গণেশের রূপের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে প্রতীকী অর্থ। তিনি জ্ঞান, বুদ্ধি, সমৃদ্ধি ও নতুন শুরুর দেবতা হিসেবে পরিচিত। হিন্দু বিশ্বাসে তিনি ‘বিঘ্নহর্তা’—অর্থাৎ সমস্ত বাধা দূরকারী।তাই কোনও শুভ কাজ শুরু করার আগে গণেশের পুজো করার রীতি রয়েছে। বিয়ে, গৃহপ্রবেশ, ব্যবসার সূচনা থেকে শুরু করে পড়াশোনা বা নতুন কোনও উদ্যোগ—সব ক্ষেত্রেই প্রথমে গজাননের আশীর্বাদ প্রার্থনা করা হয়। সেই কারণেই তিনি ‘অগ্রপূজ্য’—দেবদেবীর মধ্যে যাঁর পুজো প্রথমে করা হয়। পুরাণে গণেশের আরও নানা নাম রয়েছে। গজানন, গজদন্ত, বৃহদন্ত, বিনায়ক—এমন বহু নামে তাঁকে ডাকা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, তাঁর ১০৮টি নাম রয়েছে।
কী ভাবে জন্ম হয়েছিল গণেশের?
গণেশ চতুর্থীর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সবচেয়ে জনপ্রিয় পৌরাণিক কাহিনির কেন্দ্রে রয়েছেন দেবী পার্বতী এবং ভগবান শিব। কথিত আছে, একদিন পার্বতী স্নান করতে যাওয়ার আগে নিজের দেহের চন্দনবাটা দিয়ে একটি শিশুর মূর্তি তৈরি করেন। তাতে প্রাণসঞ্চার করে তাঁকে নিজের পুত্র হিসেবে গ্রহণ করেন। এরপর স্নানে যাওয়ার সময় ছেলেটিকে নির্দেশ দেন, তাঁর অনুমতি ছাড়া যেন কাউকে ঘরে ঢুকতে না দেওয়া হয়। মায়ের আদেশকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন ছোট্ট গণেশ।

ঠিক সেই সময় সেখানে এসে উপস্থিত হন ভগবান শিব। তিনি নিজের ঘরে প্রবেশ করতে চাইলে গণেশ তাঁকে বাধা দেন। কারণ, মায়ের নির্দেশ তাঁর কাছে ছিল সর্বোচ্চ। শিব নিজের পরিচয় দিলেও গণেশ তাঁকে ভিতরে ঢুকতে দেননি। শুরু হয় তর্ক, পরে সংঘর্ষ। এক পর্যায়ে ক্রুদ্ধ শিব গণেশের মুণ্ডচ্ছেদ করেন।
ঘটনাটি জানতে পেরে শোকে ভেঙে পড়েন পার্বতী। তাঁর ক্রোধে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে দেবলোক। পরিস্থিতি সামাল দিতে শিব গণেশকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁর অনুচরদের নির্দেশ দেওয়া হয়, প্রথম যে প্রাণীর মাথা পাওয়া যাবে, সেটিই নিয়ে আসতে।অনুচররা একটি হাতির মাথা নিয়ে ফিরে আসেন। সেই মাথা গণেশের শরীরে স্থাপন করে তাঁকে প্রাণ ফিরিয়ে দেন শিব। এরপর তাঁকে নিজের পুত্র হিসেবে স্বীকার করে দেবতাদের মধ্যে অগ্রপূজ্য হওয়ার আশীর্বাদ দেন। সেই থেকেই হাতির মাথাধারী গণেশ হয়ে ওঠেন জ্ঞান, শক্তি ও শুভ সূচনার প্রতীক।
কেন গণেশের পুজো সবার আগে?
গণেশকে অগ্রপূজ্য করার পিছনেও রয়েছে একটি জনপ্রিয় পৌরাণিক কাহিনি।কথিত আছে, একবার দেবতাদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছিল—কে সবার আগে পুজো পাওয়ার যোগ্য? এর সমাধানে ঠিক হয়, যে দেবতা প্রথমে তিন বার সমগ্র বিশ্ব প্রদক্ষিণ করতে পারবেন, তিনিই হবেন অগ্রপূজ্য।অন্যান্য দেবতা দ্রুত তাঁদের বাহনে চড়ে রওনা দিলেও গণেশ বুঝেছিলেন, ছোট্ট ইঁদুর তাঁর বাহন। তার পক্ষে সেই প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া কঠিন। তখন বুদ্ধির আশ্রয় নেন তিনি। নিজের বাবা-মা শিব ও পার্বতীকে তিন বার প্রদক্ষিণ করে বলেন, তাঁর কাছে বাবা-মাই সমগ্র বিশ্ব।গণেশের এই বুদ্ধি ও ভক্তিতে সন্তুষ্ট হয়ে শিব-পার্বতী তাঁকেই বিজয়ী ঘোষণা করেন। সেই থেকেই কোনও শুভ কাজের আগে গণেশের পুজো করার রীতি প্রচলিত হয়েছে বলে বিশ্বাস।
শুধু ধর্ম নয়, ইতিহাসও বলে অন্য গল্প
গণেশ চতুর্থীর ইতিহাস বহু পুরনো। দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাচীনকাল থেকেই গণেশের আরাধনার প্রচলন ছিল। তবে পরবর্তী সময়ে এই উৎসবের সামাজিক ও রাজনৈতিক চরিত্রও বদলে যায়।ঐতিহাসিকদের একাংশের মতে, সপ্তদশ শতকে মারাঠা শাসক ছত্রপতি শিবাজির সময় গণেশ উৎসবের জনসমাগমের রূপ আরও গুরুত্ব পায়। তবে উনিশ শতকে লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলকের হাত ধরে গণেশ চতুর্থী নতুন মাত্রা পায়।ব্রিটিশ শাসনের সময়ে বড় রাজনৈতিক জমায়েতের উপর নানা বিধিনিষেধ ছিল। সেই পরিস্থিতিতে তিলক গণেশ উৎসবকে সর্বজনীন রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেন। ধর্মীয় উৎসবের আড়ালে মানুষকে একত্রিত করার পাশাপাশি সামাজিক ও জাতীয় চেতনা জাগানোর ক্ষেত্রেও এই উৎসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। বিশেষ করে মহারাষ্ট্রে গণেশ চতুর্থী ধীরে ধীরে ঘরের পুজো থেকে বৃহৎ জনউৎসবে পরিণত হয়।
দশ দিন ধরে উৎসবের আবহ
গণেশ চতুর্থী অনেক জায়গায় দশ দিন ধরে পালিত হয়। বাড়ি ও পুজোমণ্ডপে মাটির গণেশমূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শুরু হয় উৎসব।প্রথমে প্রাণপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মূর্তিতে দেবতার উপস্থিতি আহ্বান করা হয়। এরপর নানা আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চলে পুজো। ষোড়শোপচার পুজোর বিভিন্ন ধাপে গণেশকে আসন, জল, স্নান, বস্ত্র, ফুল, দূর্বা, ধূপ, দীপ ও নৈবেদ্য নিবেদন করা হয়।প্রতিদিন আরতি, মন্ত্রপাঠ এবং প্রসাদ বিতরণ হয়। কোথাও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কোথাও ভোগের আয়োজন, আবার কোথাও বিশাল শোভাযাত্রা—সব মিলিয়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়।
গণেশের প্রিয় মোদক
গণেশের সঙ্গে যে খাবারটির নাম সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে রয়েছে, তা হল মোদক। পুরাণ ও লোককথায় মোদককে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তাই পুজোয় মোদক, লাড্ডু এবং হলুদ রঙের মিষ্টি নিবেদনের চল রয়েছে।মোদকের বাইরের আবরণকে জীবনের নানা কঠিনতার প্রতীক এবং ভিতরের মিষ্টি পুরকে আনন্দ ও জ্ঞানের প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করেন অনেকে।গণেশের আরও একটি প্রিয় নিবেদন হল দূর্বা ঘাস। পুজোর সময় তাঁর মূর্তির সামনে দূর্বা নিবেদন করার রীতি রয়েছে।

কী ভাবে করবেন গণেশ পুজো?
গণেশ চতুর্থীর দিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে পুজোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়। বাড়িতে গণেশমূর্তি আনার পর সাধারণত লাল কাপড়ের উপর তাঁকে স্থাপন করা হয়। পুজোর আগে গঙ্গাজল দিয়ে স্থান ও মূর্তি শুদ্ধ করে ফুল, চন্দন ও দূর্বা নিবেদন করা হয়।মোদক, লাড্ডু, ফল এবং অন্যান্য নৈবেদ্য নিবেদন করে গণেশের আরাধনা করা হয়। দেশি ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালানো এবং গণেশ মন্ত্র জপ করাও প্রচলিত।জ্যোতিষ ও লোকবিশ্বাসে গণেশ চতুর্থীর দিন কয়েকটি বিশেষ আচার পালনের কথা বলা হয়। যেমন—বাড়িতে গণেশমূর্তি বা গণেশযন্ত্র স্থাপন, মূর্তির দু’পাশে সিঁদুর মাখানো সুপারি রাখা, নৈবেদ্যে ঘি ও গুড় রাখা, ১০৮ বার গণেশ মন্ত্র পাঠ করা ইত্যাদি। এগুলিকে ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচার হিসেবে দেখা উচিত; এগুলির ফল সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
ব্রত পালনের রীতি
গণেশ চতুর্থী বা সংশ্লিষ্ট সংকষ্টী চতুর্থীর ব্রত পালনের ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম। ভক্তরা সকালে স্নান করে পরিষ্কার পোশাক পরে পুজোর স্থান প্রস্তুত করেন। গণেশমূর্তিকে আসনে বসিয়ে ফুল, দূর্বা, হলুদ বস্ত্র এবং মোদক বা লাড্ডু নিবেদন করা হয়।অনেকে সূর্যোদয় থেকে উপবাস করেন। কেউ নির্জলা উপবাস পালন করেন, আবার কেউ ফল ও জল গ্রহণ করে ব্রত রাখেন। তবে উপবাসের ধরন ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও সামর্থ্য অনুযায়ী হওয়াই উচিত।রাতে চন্দ্রদর্শন ও চন্দ্রকে অর্ঘ্য দেওয়ার পর উপবাস ভাঙার রীতিও রয়েছে কিছু ব্রত পালনে।
চাঁদের দিকে তাকানো নিয়ে এত কথা কেন?
গণেশ চতুর্থীর সঙ্গে যুক্ত আর একটি জনপ্রিয় কাহিনি হল চন্দ্রের অভিশাপের গল্প।কথিত আছে, একবার গণেশ প্রচুর মিষ্টি খেয়ে ইঁদুরের পিঠে চড়ে ফিরছিলেন। পথে ইঁদুরটি হোঁচট খেলে গণেশ পড়ে যান এবং তাঁর পেটের মিষ্টি ছড়িয়ে পড়ে। চাঁদ সেই দৃশ্য দেখে হাসাহাসি করলে গণেশ রেগে তাঁকে অভিশাপ দেন।পরে চাঁদ ক্ষমা চাইলে অভিশাপ কিছুটা লঘু করা হয়। এই কাহিনির সঙ্গে যুক্ত লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিনে চাঁদ দেখলে মিথ্যা অপবাদে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তবে এটি পৌরাণিক বিশ্বাস, ঐতিহাসিক বা বৈজ্ঞানিক তথ্য নয়।
গণেশ চতুর্থী উৎসব দেয় গভীর বার্তা
গণেশ চতুর্থীর শেষ দিনটি আনন্দের পাশাপাশি আবেগেও ভরা। পুজোর শেষে হয় উত্তরপূজা এবং তার পর গণেশ বিসর্জন। গান, কীর্তন ও শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে ভক্তরা প্রিয় গজাননকে নিয়ে যান জলাশয়ের দিকে। এরপর মূর্তি বিসর্জন দেওয়া হয়।মাটির তৈরি মূর্তি জলে মিশে যাওয়ার মধ্যে রয়েছে এক গভীর দর্শন—যা মাটি থেকে এসেছে, তা একদিন মাটিতেই ফিরে যাবে। অর্থাৎ জীবনের সবকিছুই ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু বিশ্বাস, ভালোবাসা, জ্ঞান ও মানবিকতার যে শিক্ষা গণেশ দিয়ে যান, তা থেকে যায় মানুষের মনে।Raise Your Concern About this Content

মহারাষ্ট্র থেকে বাংলার পাড়ায় পাড়ায়
মহারাষ্ট্রে গণেশ চতুর্থীর জাঁকজমক সবচেয়ে বেশি চোখে পড়লেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে উৎসবটির আলাদা আলাদা রূপ রয়েছে। তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্নাটক, গুজরাত, গোয়া, ওড়িশা, ছত্তীসগঢ়, উত্তরপ্রদেশ-সহ বহু রাজ্যে ধুমধাম করে গণেশ পুজো হয়।পশ্চিমবঙ্গেও বাড়ি, আবাসন, ক্লাব এবং বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশ আরাধনা এখন পরিচিত দৃশ্য। অনেক জায়গায় কয়েক দিন ধরে চলে পুজো, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ভোগ বিতরণ। শেষে হয় বিসর্জন।সময়ের সঙ্গে উৎসবের ধরন বদলেছে। পরিবেশের কথা মাথায় রেখে এখন অনেক জায়গায় প্লাস্টার অফ প্যারিসের বদলে প্রাকৃতিক মাটির প্রতিমা ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পরিবেশবান্ধব রং ও প্রতিমা ব্যবহারের প্রবণতাও বাড়ছে।
গণেশ চতুর্থী তাই শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়। এর মধ্যে মিশে আছে মা ও সন্তানের সম্পর্কের গল্প, কর্তব্যের প্রতি অবিচল থাকার শিক্ষা, বুদ্ধির জয়, অহংকার ত্যাগের বার্তা এবং নতুন করে শুরু করার প্রত্যয়। গণেশের বড় মাথা যেন বলে জ্ঞান অর্জনের কথা, বড় কান শেখায় মন দিয়ে শোনার শিক্ষা, আর হাতির শুঁড় মনে করিয়ে দেয় পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার শক্তির কথা।আর বিসর্জনের মুহূর্তে যখন প্রিয় গণপতি মাটির শরীর ছেড়ে ফিরে যান জলে, তখন উৎসব যেন নীরবে বলে যায়—সবকিছু একদিন শেষ হয়ে যায়, কিন্তু ভালো থাকার শিক্ষা কখনও বিসর্জন দেওয়া যায় না। তাই প্রতি বছর গণেশ চতুর্থীর উৎসব ফিরে আসে নতুন আশায়। ঘরে ঘরে উচ্চারিত হয় সেই প্রার্থনা—বাধা দূর হোক, বুদ্ধির আলো জ্বলুক, আর জীবনের প্রতিটি নতুন শুরু হোক শুভ।
তথ্যসূত্র
১. গণেশ চতুর্থীর নেপথ্য কাহিনী
২. গণেশ চতুর্থীর নানান তথ্য
৩. পুজোর নিয়মাবলী
৪. গণেশ চতুর্থীর ইতিহাস



