Homeভ্রমণএবার পুজোয় পাহাড় না সমুদ্র?

এবার পুজোয় পাহাড় না সমুদ্র?

বাঙালির কাছে পুজো মানেই মুক্তি। সারাবছরের ব্যস্ততা থেকে কিছুদিনের শান্তি। যারা সারাবছর ছুটি পান না, তারা এই পুজোর ক’দিন ছুটি জমিয়ে কিছুদিনের জন্য ঘুরতেও যান। স্কুল, কলেজ বা কর্পোরেটেও এই সময়ে টানা কয়েকদিনের ছুটি পাওয়া যায়। তাই ট্রাভেল বা এক্সপ্লোরের জন্য পুজোর সময়টুকু অনেকেই কাজে লাগান। কারণ নিজের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটানোই তো আসলে উৎসব। তাই এবার পুজোয় বেড়িয়ে পড়ুন যেদিকে দু’চোখ চায়। কোথায় যাবেন ঠিক করতে পারছেন না, তাহলে চলুন কয়েকটা সেরা ডেস্টিনেশনের সন্ধান দিচ্ছি আমরা।

পুজোর ছুটিতে কোথায় ঘুরতে যাবেন?

যদি সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত পুজো দেখে  ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। সেক্ষেত্রে দিন কম থাকে তাই আগে থেকে একটা প্ল্যানিং করা দরকার যাতে ঠিকভাবে ঘোরা যায় এবং এনজয় করা যায়।

পাহাড়

পুজোয় পাহাড়ে গেলে মন্দ হয় না। আশ্বিনে মাসে পাহাড় এক অপরূপ সৌন্দর্য্যের সাক্ষী থাকে। আকাশজুড়ে সাদা পেঁজা তুলো আর ফুরফুরে রোদ। যদি বৃষ্টিও হয় তাতেও অসুবিধা নেই। হোমস্টে বা হোটেলে বসে পাহাড়ের বৃষ্টি দেখা, আর এককাপ গরম চায়ে চুমুক তাও আপনার দিন বানিয়ে দেবে। শুধু ব্যালকনি থেকেই পাহাড়ের বৃষ্টি দেখে কাটিয়ে দেওয়া যায় গোটা একটা দিন। 

দার্জিলিং

পাহাড় মানেই তো সবথেকে কাছের অপশন দার্জিলিং। দশমীর রাতে NJP-গামী যেকোনও ট্রেনে চেপে বসুন। একাদশীর সকালেই স্টেশনে পৌঁছে নিয়ে নিন গাড়ি। বাজেট একটু কম থাকলে NJP থেকে শেয়ার গাড়ির অপশনও রয়েছে। বিকেলের দিকে পৌঁছে যাবেন দার্জিলিং। ম্যাল রোডের কাছেই হেটেল নিয়ে নিন। ফ্রেশ হয়ে সন্ধ্যাবেলা ম্যালে এক্সপ্লোর করুন। গ্লেনারিজে কেক অ্যান্ড বেকারি সেকশেন থেকে কফির সঙ্গে স্ন্যাক্স নিয়ে গ্লেনারিজের ব্যালকনি থেকে দার্জিলিঙের সন্ধ্যে নামার সাক্ষী থাকতে পারেন। আবার গ্লেনারিজের ডাইন-ইন থেকেই সেরে নিতে পারেন সেদিনের ডিনার সঙ্গে তো থাকবেই লাইভ  মিউজিক। পরিবারের সঙ্গে বা প্রিয় মানুষের সঙ্গে এই একটা সুন্দর মুহূর্ত আপনার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় হয়ে থাকবে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি। 

গ্লেনারিজের ব্যালকনি থেকে দার্জিলিং-এর সন্ধ্যে সঙ্গে এক কাপ কফি | ফটো – বিশ্বয়নী দত্ত

কার্শিয়ং

পরদিন দার্জিলিঙের সাইটসিং করে চলে যেতে পারেন কার্শিয়ং। খুব সকালে উঠে রেডি হয়ে প্রথমে দেখে নিন ঘুম রেলওয়ে স্টেশন, ঘুম মনেস্ট্রি, পিস প্যাগোডা আর জাপানিজ টেম্পল আর বাতাসিয়া লুপ। তারপর ওই রাস্তা ধরে দু-তিন ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে যাবেন কার্শিয়ং। ওই রাস্তায় লেপচাজগৎ-এ কিছুটা সময় কাটিয়ে নিতে পারেন। সারি সারি পাইন গাছ, মেঘ আর কুয়াশার খেলা, নিস্তব্ধতায় সে এক অদ্ভূত পরিবেশ, না দেখলে বোঝানো যাবে না। 

কার্শিয়ং-এর গিদ্দা পাহাড়ের কাছে থাকার হোটেল বা হোমস্টে নিয়ে নিন। ফ্রেশ হয়ে সেইদিন এক্কেবারে রেস্ট। পরেরদিন সকালে কার্শিয়ং এক্সপ্লোর করতে হবে।

মেঘের শহরে কার্শিয়ং-এ ঝুপ করে সন্ধ্যে নামে! ফটো : বিশ্বয়নী দত্ত

সকালে প্রথমে চলে যান হনুমান স্ট্যাচু আর চা-বাগান দেখতে। সেখান থেকে পরের গন্তব্য ডাউহিল যা অন্যতম হন্টেড প্লেস। যত গাড়ি এগোবে বুঝতে পারবেন অন্য কোনও জায়গায় চলে এসেছেন আপনি,চারপাশের কোলাহল যেনও হঠাৎ করে থেমে গেছে। শুধু আঁকাবাঁকা রাস্তা যত ওপরে উঠছে শুধুই উঁকি মারছে সারি সারি পাইন গাছ। তাদের আকাশ ছুঁয়ে দেখাই যেন একমাত্র লক্ষ্য। 

ডাউহিলের নিস্তব্ধতার সঙ্গে কিছুটা সময় কাটিয়ে পরের গন্তব্য চিমনি গ্রাম। কার্শিয়ং থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটা ছোট্ট গ্রাম চিমনি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশদের অন্যতম ঘাঁটি ছিল চিমনি। এখানে ২৪ ফুট উচ্চতার একটি চিমনি নির্মাণ করেন। সেখান থেকেই এই গ্রামের এমন নাম দেওয়া হয়েছে। যারা পাখি ভালোবাসেন তাদের জন্য  চিমনি সেরা ঠিকানা, গ্রামের পাশে যে বনাঞ্চল রয়েছে সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির দেখা মেলে।

পরবর্তী গন্তব্য ঈগল’স ক্র্যাগ। শহরের একেবারে শেষ প্রান্তে অবস্থিত সুন্দর সাজানো বাগান। এখানে রয়েছে গোটা শহরে জল সরবরাহের জন্য নির্মিত দুটি জলাধার, রয়েছে একটি ওয়াচ টাওয়ার যেখান থেকে গোটা কার্শিয়ং শহরটাকে দেখা যায়। যদি ভাগ্য ভালো থাকে তাহলে এখান থেকেও দর্শন মিলতে পারে কাঞ্চনজঙ্ঘার। 

কালিম্পং

যদি লোকের ভিড়, মানুষের কোলাহল পছন্দ না হয়, ঘুরতে এসে শুধুই প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটাতে চান তাহলে কালিম্পং-এ ঘুরে আসতে পারেন। লাভা, রিষপ, লোনেগাঁও-এর মতো ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামে নিরিবিলিতে প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানোর সৌভাগ্য ক’জনের হয় বলুন তো। এই পাহাড়ি গ্রাম থেকে আবহাওয়া ভালো থাকলে আপনার খুব কাছেই ধরা দেবে কাঞ্চনজঙ্ঘা। হয়তো হোটেল বা হোমস্টের ব্যালকনি থেকেই গরম পকোড়ার সঙ্গে একবার আপনার সঙ্গে সারপ্রাইস ভিজিট করতে আসতে পারে স্বয়ং কাঞ্চনজঙ্ঘা।

কানে কানে কী কথা বলে যায় সিঁদুরে রাঙা আকাশ? ফটো : বিশ্বয়নী দত্ত

লাভার খুব কাছেই রয়েছে ছাঙ্গে ওয়াটারফলস্। তবে ওয়াটারফলসে নামতে ১-১.৫ কিলোমিটার মতো ট্রেক করতে হবে। বয়স্ক মানুষদের না নিয়ে যাওয়াই ভালো। ওয়াটারফলস্ অবধি পৌঁছোতে একটু কষ্ট হবে ঠিকই, তবে ওয়াটারফলসের সেই বেপরোয়া রূপ দেখলে সব কষ্ট সার্থক। যদি ইচ্ছা করে ওয়াটারফলসের জলেই স্নান করে নিতে পারেন, সে অভিজ্ঞতাও অন্যরকম হবে। তারপরে চলে যান লাভা মনেস্ট্রি। তারপরের অন্যতম প্রধান আকর্যণ ডেলো। কালিম্পং-এর ডেলোতেই করে নিতে পারেন প্যারাগ্লাইডিং-এর মতো অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসও। পাখির মতো উড়তে উড়তে আকাশ থেকেই দেখতে পাবেন গোটা কালিম্পং শহরটাকে। প্যারাগ্লাইডিং-এর দু’ধরনের প্যাকেজ রয়েছে, ৬ কিলোমিটারের জন্য ৩,৫০০ টাকা আর ১২ কিলোমিটারের জন্য ৬,৫০০ টাকা। মরসুম অনুযায়ী ৫০০-১০০০ টাকা উপর নিচে হতে পারে।

সিকিম ও গ্যাংটক

সিকিম মানেই পেলিং, লাচুং, লাচেন বা সিল্করুট নয় কিন্তু। দার্জিলিঙের মতো সিকিমেও প্রচুর অফবিট গ্রাম রয়েছে।  এবার পুজোয় চাইলে আপনিও দু’দিন সময় কাটিয়ে আসতেই পারেন এমনই কোনও অফবিট গ্রামে। শহুরে হট্টগোল থেকে বহুদূর এমনই একটা জায়গা পশ্চিম সিকিমের একটা ছোট্ট গ্রাম রিচেনপং। শিলিগুড়ি থেকে রিচেনপং পর্যন্ত গাড়ি করে নিতে পারেন। যদি শেয়ার গাড়িতে আসতে চান, তাহলে শিলিগুড়ি থেকে জোরথাং পর্যন্ত আসতে হবে আপনাকে তারপর শেয়ার গাড়িতে রিচেনপং। সামনে রয়েছে ৩০০ মনেস্ট্রি আর সেখানে যেতে হলে রয়েছে একটা ছোট্ট ট্রেকিং রুট। অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ হলে ছোট্ট ট্রেকিং করে পৌঁছে যেতেই পারেন মনেস্ট্রিতে।

আপনার যদি মানুষের সান্নিধ্য পছন্দের হয় তাহলে গ্যাংটকও আপনার জন্য পুজোর সময় ঘোরার আইডিয়াল অপশন। প্রথমদিন শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক পৌঁছে ফ্রেশ হয়ে একটা লম্বা ঘুম দিন। সন্ধ্যেবেলা গান্ধী মার্গ থেকে পরিবার আর বন্ধুদের জন্য পছন্দ করে কিনে নিন কিছু উপহার। তারপর ডিনার করে আবার রেস্ট কারণ পরের দিন করতে হবে গ্যাংটকের সাইটসিং। রুমটেক মনেস্ট্রি, অমিতাভ বচ্চন ওয়াটারফলস এগুলো দেখে নিতে পারেন।

শিলং 

পুজোর সময় মেঘের রাজ্যে সময় কাটাতে হলে মেঘালয় তো রয়েছেই। তবে  অক্টোবরে মেঘালয়ের শিলং অন্যভাবে সেজে ওঠে। পাহাড়ি রাস্তা, ঝলমলে আকাশ ঠিক যেন ছবিতে আঁকা কোনও দৃশ্যপট। প্রথমদিন কলকাতা থেকে বিমানে চলে যান গুয়াহাটি। কামাখ্যা মন্দিরে পুজো দিয়ে গাড়ি করে শিলং–এর উদ্দেশ্যে রওনা দিন। শিলং পৌঁছতে পৌঁছতে অন্ধকার নেমে আসবে।পরের দিন ডাওকি নদীতে করে নিন নৌকাবিহার। ডাওকির স্বচ্ছ জলে দেখে মুগ্ধ হবেন আপনিও। ঘুরে দেখতে পারেন শিলং-এ অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ি। পরের দিন চলে যান এশিয়ার ক্লিনেস্ট ভিলেজ মাওমমিলঙ। সুন্দর করে সাজানো ছিমছাম ছোট্ট গ্রাম। গ্রামের একপ্রান্ত দেখা যায় বাংলাদেশের বর্ডার। গ্রামের বাড়ি, সেখানকার মানুষজনের জীবনযাত্রা দেখতে দেখতে সারাদিন কেটে যাবে আপনার। 

তাওয়াং ভ্যালি 

দেশের অফবিটের হিডেন জেম কিন্তু অরুণাচল প্রদেশ। এবার পুজোয় অরুণাচলও হতে পারে আপনার ট্রাভেল ডেস্টিনেশন। গুয়াহাটি থেকে শুরু হবে আপনার অরুণাচল  অভিযান। ওখান থেকে ভালুকপং, দিরাং, তাওয়াং হয়ে আবার ফিরে গুয়াহাটি ফিরে আসতে হবে। প্রথম দিন গুয়াহাটি থেকে যেতে ভালুকপং। দ্বিতীয় দিন ভালুপং থেকে দিরাং উদ্দেশ্যে রওনা, পথে দেখে নিতে হবে টিপির অর্কিড স্যাংচুয়ারি, দিরাং মনেস্ট্রি আর সাংতি ভ্যালি। পরের দিন দিরাং থেকে গন্তব্য তাওয়াং, পথে পড়বে ১৪,০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত সোলা পাস। দেখা নেওয়া হবে ভারত-চিন যুদ্ধের স্মৃতিতে নির্মিত যশবন্ত গড়। রাতে পৌঁছে যাবেন তাওয়াং। পরেরদিন তাওয়াং লোকাল সাইটসিং রয়েছে। তাওয়াং রয়েছে ভারতের বৃহত্তম ও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মনেস্ট্রি যা প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো। 

সমুদ্র 

যে কোনও সময়েই সমুদ্র সুন্দর। পাহাড়ের থেকেও যদি আপনার সমুদ্র বেশি পছন্দের হয়। তাহলে পুজোয় কলকাতার ভিড় থেকে বাঁচতে তো চলে যেতেই হবে কোনও বিচ ডেস্টিনেশন। কলকাতার কাছাকাছি সমুদ্র বলতে গেলে তালসারি অন্যতম সেরা লোকেশন।Raise Your Concern About this Content

তালসারি 

ওড়িশার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। তারসারির সমুদ্রসৈকত থেকে সুর্যাস্ত যে একবার দেখেছে তা চিরকাল মনে থেকে যাবে। তাছাড়া লাল কাঁকড়া, ঝাউবন তো বাড়তি আকর্ষণ রয়েছেই। এখানে বেশ কিছু হোটেল ও রিসর্টও রয়েছে। বেশ কিছু রিসর্টে রয়েছে প্রাইভেট বিচ। তাই হানিমুন কাপলদের জন্য তালসারি অন্যতম সেরা ডেস্টিনেশন।  দিঘা থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, অথচ দিঘার লোকারণ্য থেকে একেবারে শান্ত নিরিবিলি আস্তানাতে দু’দিন সময় কাটিয়ে দেওয়া যায় অনায়াসেই। হাওড়া থেকে দিঘা ট্রেনে গিয়ে সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে নিতে পারেন। আবার কলকাতা থেকে গাড়ি করেই তালসারি যেতে পারেন, সেক্ষেত্রে লং ড্রাইভও হয়ে যাবে।

দুগলাগাড়ি 

ভার্জিন বিচগুলর মধ্যে দুগলাবাড়ি অন্যতম। মানুষের ভিড়ও কম। হাওড়া থেকে বালাসোরগামী যেকোনও ট্রেনে পৌঁছে যেতে পারেন বালাসোর। বালাসোর থেকে অটো নিয়ে চলে যান দুগলাগাড়ি। এখানে বেশি হোটেল নেই, থাকার মধ্যে ইকো রিসর্ট বা হোমস্টে, টেন্টে থাকারও ব্যবস্থা রয়েছে। দীর্ঘ বালুকাবেলায় সারাদিন হেঁটে বেরান, বারবার পা ভিজিয়ে যাবে সমুদ্রের জল। আশেপাশে থাকবে না কোনও কোলাহল। সূর্যাস্তের সময় হুট করে চারিদিকে আঁধার নেমে আসে, শুধু পশ্চিমাকাশে তথনও সিঁদুরে মেঘ। তারপর কখন ঝুপ করে হারিয়ে যায় সূর্য। কিচিরমিচির ডাক দিয়ে ঘরের পথে ডানা মেলে পাখিরা। সেই নিস্তব্ধতা দু’চোখ ভরে দেখে আসুন।

পুজোর চেনা ব্যস্ততা থেকে বিরতি নিতে এবার নিজের সঙ্গে, পরিবারের সঙ্গে বা কোনও প্রিয় মানুষের সঙ্গে উৎসবের মাঝে আপনার ঠিকানা হতেই পারে পাহাড়, সমুদ্র বা অফবিট কোনও গ্রাম। 

- বিজ্ঞাপন -
বিশ্বয়নী দত্ত
বিশ্বয়নী দত্ত
কলকাতা বিশ্ববিদ্য়ালয় থেকে জার্নালিজম এবং মাস কমিউনিকেশনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গত কয়েক বছর ধরে জাতীয় প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকতা ও কন্টেট রাইটিং-এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। লেখালেখির প্রতি তাঁর বিশেষ অনুরাগ রয়েছে । ব্যস্ত জীবনের একঘেয়েমি কাটাতে মাঝেমধ্যে পাহাড়ে ঘুরতে যেতে ভালবাসেন।
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

বাংলা ক্যালেন্ডার

- বিজ্ঞাপন -spot_img

Most Popular

Recent Comments