‘দেশটা এবার সত্যিই স্বাধীন হবে’— এমন স্বপ্ন আর উত্তেজনাতেই ১৯৪৭ সালের বর্ষাভেজা দিনগুলো কাটছিল অসংখ্য মানুষের। প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা তেরঙা পতাকা বানাতে ব্যস্ত। ১৪ আগস্ট গভীর রাতে পরিবারের বড়রা রেডিয়োয় শুনলেন জওহরলাল নেহরুর ঐতিহাসিক ভাষণ। পরদিন ভোর হতেই চারদিকে উৎসবের আবহ। ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭— দীর্ঘ ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে স্বাধীনতার সূর্যোদয় হল ভারতের আকাশে।
শঙ্খধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠল পাড়া-প্রতিবেশ। বেরোল আনন্দ শোভাযাত্রা। সাদা পোশাক আর গান্ধী টুপি পরে অসংখ্য মানুষ ছুটলেন লালকেল্লার দিকে, স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর ভাষণ শুনতে। স্বাধীনতার আনন্দে উদ্বেলিত গোটা দেশ। সেই উল্লাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। পরদিন সংবাদপত্রে স্বাধীনতার খবরের পাশেই ছাপা হল আরও এক কঠিন বাস্তব— দেশভাগ। স্বাধীনতার আনন্দ মুহূর্তেই মিশে গেল বিচ্ছেদের বেদনায়।
দেশভাগের ফলে অন্তত ১ কোটি ৪০ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হন এবং প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়। সংখ্যার এই হিসাবের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে অসংখ্য ভাঙা সংসার, হারিয়ে যাওয়া শৈশবের গল্প। সেই সময় যারা স্কুলের ছিলেন বা যারা সদ্য কলেজে পা রাখা তরুণ-তরুণী— তাঁদের অনেকেই একদিকে স্বাধীন দেশের স্বপ্ন দেখেছেন, অন্যদিকে চোখের সামনে হারিয়েছেন নিজের ভিটেমাটি, আপনজন ও শিকড়।
তাই স্বাধীনতার উচ্ছ্বাস আর দেশভাগের যন্ত্রণা— দুই বিপরীত অনুভূতি একসঙ্গেই বহন করে চলেছে তাঁদের স্মৃতি। বলা যায়,স্বাধীনতার প্রথম সকাল তাই নিছক আনন্দের সকাল ছিল না। সেটি ছিল উৎসব ও উদ্বেগ, প্রাপ্তি ও বিচ্ছেদ, স্বপ্ন ও রক্তক্ষরণের এক বিরল ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ।
সংবাদপত্রের পাতা জুড়ে ভারতের স্বাধীনতার ছবি

সংবাদপত্রের জগতেও ১৫ অগস্ট ছিল এক বিশেষ দিন। সংবাদকর্মীরাও জানতেন, এ দিনের কাগজের প্রত্যেকটি পাতা ইতিহাসের দলিল হিসাবে চিহ্নিত হবে। তাই প্রথম পাতা ছিল আর্কষণীয়। সেখানে দেশের সাধারণ মানুষ যেমন স্বাধীনতার আনন্দে মেতে উঠেছিলেন, তেমনই সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে নিজেদের শিরোনামে ধরে রেখেছিল দেশের সংবাদপত্রগুলি। স্বাধীনতার দিন এবং তার পরের দিনের সংবাদপত্রে দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ, নতুন রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং দেশভাগের বাস্তবতা একসঙ্গে জায়গা পেয়েছিল।
হিন্দি সংবাদপত্র হিন্দুস্তান-এর প্রথম পাতায় ছিল শতাব্দীর দাসত্বের পর ভারতের নতুন স্বাধীন ভোরের ছবি। গান্ধীর সংগ্রামের সাফল্যের কথা তুলে ধরা হয়েছিল সংবাদপত্রের পাতায়।
দ্য স্টেটসম্যান তাদের প্রথম পাতায় নয়াদিল্লিতে গণপরিষদের মধ্যরাতের অধিবেশনের খবর প্রকাশ করে। সেখানে লর্ড মাউন্টব্যাটেনের দেশভাগ-সংক্রান্ত বক্তব্যও স্থান পায়।
আনন্দবাজার পত্রিকা তাদের প্রথম পাতায় ছিল তেরঙ্গা। আর হেডলাইনে লেখা, ‘নূতন- যুগ- সূর্য উঠিল ছুটিল তিমির রাত্রি’। সেইসঙ্গে প্রথম পাতায় তারা ব্যবহার করেছিলেন স্বাধীনতার নেপথ্য কারিগরদের ছবি। এই সংবাদপত্রগুলি কেবল খবর প্রকাশ করেনি, তারা স্বাধীনতার মুহূর্তের আবেগ, প্রত্যাশা এবং অনিশ্চয়তাকেও সংরক্ষণ করে রেখেছিল।
দেশবাসীর চোখে ‘স্বাধীন ভারতের’ সকাল
দেশভাগের যন্ত্রণা বুকের মধ্যে খানিক রক্ত ক্ষরণ ঘটিয়েছিল বটে, তবু আমরা ‘আজ থেকে স্বাধীন’ এই উপলব্ধি, এই উচ্ছ্বাস, এই আনন্দ মানুষকে ভাসিয়ে দিয়েছিল স্বাধীনতার প্রথম সকালে। শুরু হয়েছিল দেশজুড়ে উৎসব । রাস্তায় মানুষের ঢল নেমেছিল, তেরঙ্গা হাতে মিছিল বেরিয়েছিল, স্লোগানে মুখরিত হয়েছিল দিল্লি।
এই স্বাধীনতার আনন্দের সঙ্গে মিশে ছিল দীর্ঘ সংগ্রামের স্মৃতি। কারও পরিবারের সদস্য কারাবরণ করেছিলেন, কেউ আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছিলেন, কেউ হারিয়েছিলেন সম্পত্তি ও জীবিকা। স্বাধীনতার প্রথম ভোরে তাই অনেকের চোখে আনন্দাশ্রু ছিল, আবার কারও মনে ছিল নিহত স্বজনের স্মৃতি।
দেশের সরকারি ভবন, বিদ্যালয়, রেলস্টেশন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তেরঙ্গা উত্তোলন করা হয়। আন্তর্জাতিক স্তরেও নতুন ভারতের পতাকা পরিচিতি পেতে শুরু করে, জাতিসংঘের একটি সংস্থায় প্রথমবার তেরঙ্গা উত্তোলনের কথাও সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাধীনতার সঙ্গে রেলস্টেশন ও সীমান্তে মানুষের দীর্ঘ মিছিল

দেশ স্বাধীন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। আর তাতে আমজনতাদের মধ্যে শুরু হয় নতুন আতঙ্ক। নতুন সীমান্ত ঠিক কোথায় হবে, কে কোন দেশের নাগরিক হবেন, কোন গ্রাম বা শহর কোন রাষ্ট্রের অংশে পড়বে, আদৌ ভারতের নাগরিক থাকবেন কিনা—এই প্রশ্নগুলির উত্তর বহু মানুষের কাছে তখনও স্পষ্ট ছিল না।
তাই সীমান্তে যারা ছিলেন তাদের মধ্যে ছিল কাঁটাতারের ওপারে যাওয়ার অজানা ভয়। একই মাটিতে বহু বছর বসবাস করা মানুষ হঠাৎ বুঝতে পারছিলেন, তাঁদের বাড়ি হয়তো অন্য একটি দেশের অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে। পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা, সম্পত্তি হারানোর ভয় আর আতঙ্ক তাঁদের ঘিরে ধরেছিল।
দেশভাগের ফলে সেইসময় অসংখ্য মানুষ রাতারাতি সংখ্যালঘু হয়ে পড়েন। কেউ পূর্ববঙ্গ থেকে পশ্চিমবঙ্গে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কেউ পশ্চিম পঞ্জাব থেকে ভারতে প্রবেশ করছিলেন, আবার বহু মুসলিম পরিবার ভারত থেকে পাকিস্তানের দিকে রওনা হচ্ছিল। সেইজন্য রেলস্টেশনগুলিতে ভিড় বাড়ছিল। মাথায় পুঁটলি, কোলে শিশু, সঙ্গে সামান্য সঞ্চয়—এই নিয়েই অজানা গন্তব্যের পথে বেরিয়ে পড়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ।
নেহরুর মধ্যরাতের দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ
স্বাধীনতার আগের রাতে জওহরলাল নেহরু এবং অন্যান্য নেতারা গণপরিষদ ভবনে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেখানেই নেহরু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে বলেছিলেন, বহু বছর আগে ভারত নিয়তির সঙ্গে যে অঙ্গীকার করেছিল, সেই অঙ্গীকার পূরণের সময় এসেছে। মধ্যরাতে পৃথিবী যখন ঘুমিয়ে থাকবে, ভারত তখন জীবন ও স্বাধীনতার আলোয় জেগে উঠবে।

নেহরুর ওই ভাষণ কেবল স্বাধীনতা মানে শুধু আনন্দ নয়। স্বাধীনতা মানে দায়িত্বও। ভারতের প্রধান কাজ হবে সাধারণ মানুষ, কৃষক ও শ্রমিকের কাছে স্বাধীনতার সুফল পৌঁছে দেওয়া, দারিদ্র্য, অশিক্ষা ও রোগ দূর করা এবং ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণ তৈরি করা।
লালকেল্লা থেকে নতুন ভারত গড়ার প্রথম অঙ্গীকার
দিল্লির লালকেল্লায় তেরঙ্গা উত্তোলন করেন স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। সেখানে উপস্থিত বিপুল জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, এই পতাকা কোনও রাজনৈতিক দলের বিজয়ের প্রতীক নয় এটি গোটা দেশের বিজয়ের প্রতীক। ভারতের স্বাধীন পতাকা শুধু ভারতের নয়, বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতীক হয়ে উঠবে। সেইসঙ্গে নেহরু স্মরণ করেন স্বাধীনতা সংগ্রামের শহিদ ও যোদ্ধাদের। যারা ছিলেন স্বাধীনতা আনার অন্যতম কারিগর। সেইসময় বিশেষভাবে উল্লেখ করেন সুভাষচন্দ্র বসুর কথা। বিদেশের মাটিতে আজাদ হিন্দ ফৌজ গড়ে তোলা এবং তেরঙ্গা উত্তোলনের স্বপ্ন দেখেছিলেন নেতাজি। লালকেল্লায় স্বাধীন ভারতের পতাকা উত্তোলনের দিনটি তিনি দেখে যেতে পারেননি এই আক্ষেপও স্পষ্ট ছিল নেহরুর ভাষণে।

স্বাধীনতা দিবসে দিল্লি নয় কলকাতায় গান্ধীজি
স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম কারিগর মহাত্মা গান্ধী ছিলেন না দিল্লিতে। তিনি ছিলেন কলকাতায়। কারণ, দেশ স্বাধীন হওয়ার কিছুদিন আগেও ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়িয়ে পড়েছিল মহানগরীতে। তাই স্বাধীনতার আনন্দ উৎসবে যোগ দেওয়ার পরিবর্তে গান্ধীজি রক্তপাত বন্ধ করার দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। স্বাধীনতার আগে থেকেই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, দিল্লির সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন না। বরং তিনি হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনা।
১৫ আগস্ট তিনি উপবাস, প্রার্থনা ও চরকা কাটার মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন। তাঁর স্বাধীনতা উদ্যাপন ছিল নীরব ও আত্মসংযমী। Raise Your Concern About this Content
জাতিসংঘের প্রথম তেরঙ্গা উত্তোলন
ভারতের স্বাধীনতা শুধু দেশেই পালিত হয়নি। নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের সংস্থাও একই দিনে স্বাধীন ভারতকে মেনে নিয়ে তেরঙ্গা উত্তোলন করে। যা ভারতকে নিয়ে গিয়েছিল অন্য মাত্রায়।

স্বাধীন ভারতের শাসনের প্রথম দিনের চিত্র
স্বাধীনতার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় প্রশাসনিক ও আইনি ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়। সেইসময় থেকে ভারত আর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীন উপনিবেশ নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব এখন ভারতীয় শীর্ষ নেতৃত্বের হাতে। তারাই এখন থেকে চালাবেন দেশ। পুরনো ব্যবস্থার প্রভাব এক দিনে শেষ হয়ে যায়নি। কারণ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা, সেনাবাহিনী, সরকারি প্রতিষ্ঠান—সব ক্ষেত্রেই পরিবর্তন আনার প্রয়োজন ছিল। তাই ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু হয় দেশ চালানোর নিয়ম।
ব্রিটিশ শাসন মুক্ত ভারতের নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় কাজ ছিল শান্তি বজায় রাখা, দেশভাগের ফলে সৃষ্ট শরণার্থী সমস্যার মোকাবিলা, খাদ্য ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা এবং সরকারি পরিষেবাকে সচল রাখা। একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং সামাজিক ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়।
স্বাধীনতার পর ভারতের দু’রকম ছবি
স্বাধীনতার পরের দিন অর্থাৎ ১৬ আগস্ট ১৯৪৭-এর ভারতকে একটিমাত্র ছবিতে ধরা সম্ভব নয়। একটি ছবিতে দেখা যায় দিল্লির লালকেল্লায় তেরঙ্গা উড়ছে, জনতা স্লোগান দিচ্ছে, নতুন প্রধানমন্ত্রী স্বাধীন দেশের ভবিষ্যৎ ঘোষণা করছেন। অন্য ছবিতে দেখা যায় রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষমাণ উদ্বাস্তু পরিবার, সীমান্তের দিকে এগিয়ে চলা মানুষের সারি এবং অজানা আতঙ্কে ভরা মুখ। তবু সেই প্রথম সকালেই ভারত নিজের ভবিষ্যতের মূল লক্ষ্য স্থির করেছিল—শান্তি, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষ নাগরিক অধিকার, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং সাধারণ মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা।
এই স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হয় ১৯৪৭ সালের অনেক আগেই। দেশকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে নিজের সর্বস্ব দিয়েছিলেন দেশ নায়ক নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু। হাসতে হাসতে ফাঁসির দড়ি গলায় পড়েছিলেন বহু বীর বিপ্লবী। কারও হয়েছিল জেল, আবার কারও দ্বীপান্তর। অবশেষে আসে স্বাধীনতার সুখ। আর এই স্বাধীনতার পরের সকাল ছিল ইতিহাসের পাতা উল্টে নতুন অধ্যায় শুরু করার দিন। কিন্তু নতুন পাতায় পুরনো ক্ষতের ছাপ তখনও স্পষ্ট ছিল। তেরঙ্গা উঠেছিল, ব্রিটিশ শাসনের অবসান হয়েছিল, ভারতীয়রা নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার পেয়েছিলেন। একই সঙ্গে লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘর হারিয়েছিলেন, সাম্প্রদায়িক হিংসায় বহু প্রাণ ঝরে গিয়েছিল এবং নতুন রাষ্ট্রের সামনে পাহাড়প্রমাণ দায়িত্ব এসে দাঁড়িয়েছিল।
স্বাধীনতার সেই প্রথম সকাল ভারতকে একটি কঠিন সত্য শিখিয়েছিল—স্বাধীনতা অর্জন একটি ঐতিহাসিক বিজয়, কিন্তু তাকে রক্ষা করা, সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং ন্যায় ও সম্প্রীতির ভিতের উপর দাঁড় করানো আরও বড় দায়িত্ব।
তথ্যসূত্র
১. স্বাধীনতার দিন ও পরদিন সংবাদপত্রের শিরোনাম
২. স্বাধীন ভারতের প্রথম সূর্যোদয়, সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস
৩. গান্ধীর ‘শান্তি মিশন’ ও ১৬ আগস্টের ভূমিকা
৪. আইনি ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের প্রথম দিন



