Homeজীবনশৈলীবন্ধুত্ব দিবস-এর জন্ম কোথায়? যে ইতিহাসটা বেশিরভাগ মানুষই জানেন না

বন্ধুত্ব দিবস-এর জন্ম কোথায়? যে ইতিহাসটা বেশিরভাগ মানুষই জানেন না

বিষয়বস্তুর সারণী [hide]

মজার বিষয় হলো, এই প্রশ্নগুলোর উত্তর অনেকেরই জানা নেই। কেউ বলেন এটি একটি আমেরিকান উৎসব, কেউ বলেন জাতিসংঘ শুরু করেছে, আবার অনেকে মনে করেন এটি শুধুই Greeting Card কোম্পানির মার্কেটিং কৌশল। কিন্তু ইতিহাস অন্য কথা বলছে। 

আজ এই ব্লগে, আমরা সেই ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করব, এবং জেনে নেব, ফ্রেন্ডশিপ ডের সম্পর্কে অজানা তথ্য। 

কৃতজ্ঞতা স্বীকার : Google

Friendship Day নিয়ে এত বিভ্রান্তি কেন?

আপনি যদি ইন্টারনেটে “Friendship Day History” লিখে সার্চ করেন, তাহলে একাধিক ভিন্ন তথ্য দেখতে পাবেন। কোথাও বলা হয় ১৯৩৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই দিবসের সূচনা, কোথাও বলা হয় ১৯৫৮ সালে প্যারাগুয়েতে এর জন্ম, আবার জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে দেখা যায় ৩০ জুলাই International Day of Friendship হিসেবে স্বীকৃত।

তাহলে কোন তথ্যটি সত্য?

আসলে তিনটিই আংশিক ভাবে সত্য, তবে এগুলো কোনোটি একই ঘটনার অংশ নয়।

বন্ধুত্ব দিবসের ইতিহাসকে বুঝতে হলে তিনটি আলাদা বিষয় জানতে হবে—

  • প্রথমত, ব্যবসায়িক উদ্যোগ হিসেবে Friendship Day-এর ধারণা।
  • দ্বিতীয়ত, প্যারাগুয়ের সামাজিক আন্দোলন, যা বন্ধুত্বকে বৈশ্বিক মূল্যবোধে পরিণত করতে চেয়েছিল।
  • তৃতীয়ত, জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, যা বন্ধুত্বকে শান্তি ও সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।

এই তিনটি ঘটনাকে একসঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার কারণেই আজও Friendship Day নিয়ে বিভ্রান্তি রয়ে গেছে।

Friendship Day-এর আগে: মানুষ কবে থেকে বন্ধুত্বকে এত গুরুত্ব দিতে শুরু করল?

Friendship Day আধুনিক সময়ের একটি দিবস হলেও বন্ধুত্বের ধারণা মানবসভ্যতার মতোই প্রাচীন।

মানববিজ্ঞানীরা মনে করেন, আদিম যুগে মানুষ একা বেঁচে থাকতে পারত না। শিকার করা, খাদ্য সংগ্রহ, সন্তান লালন-পালন কিংবা বন্য প্রাণীর আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সহযোগিতা ছিল অপরিহার্য। এই সহযোগিতা থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে পারস্পরিক বিশ্বাস ও বন্ধুত্ব।

বন্ধুত্বকে দার্শনিকভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ Nicomachean Ethics-এ তিনি বন্ধুত্বকে তিন ভাগে ভাগ করেন—

  • উপকারের জন্য বন্ধুত্ব (Friendship of Utility)
  • আনন্দের জন্য বন্ধুত্ব (Friendship of Pleasure)
  • নৈতিকতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব (Friendship of Virtue)

অ্যারিস্টটলের মতে, তৃতীয় ধরনের বন্ধুত্বই সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ও মূল্যবান, কারণ এটি স্বার্থের উপর নয়, চরিত্র ও বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে থাকে।

আজকের মনোবিজ্ঞানও অনেকাংশে এই ধারণাকে সমর্থন করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ভালো বন্ধু মানসিক চাপ কমায়, একাকীত্ব দূর করে এবং জীবনের কঠিন সময়ে মানুষকে মানসিকভাবে শক্ত থাকতে সাহায্য করে। অর্থাৎ Friendship Day তৈরি হওয়ার বহু আগে থেকেই বন্ধুত্ব মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে জায়গা গড়ে তুলে ছিল। 

কৃতজ্ঞতা স্বীকার : Google

১৯৩০-এর দশক: একটি Greeting Card কোম্পানি কীভাবে Friendship Day-কে জনপ্রিয় করার চেষ্টা করেছিল?

Friendship Day-এর ইতিহাসে প্রথম বড় মোড় আসে যুক্তরাষ্ট্রে।

১৯৩০-এর দশকে Hallmark Cards নামের একটি জনপ্রিয় Greeting Card কোম্পানি বন্ধুদের জন্য বিশেষ শুভেচ্ছা কার্ড বিক্রির উদ্দেশ্যে Friendship Day উদযাপনের ধারণাকে জনপ্রিয় করার চেষ্টা করে।

তখনকার সময়ে Mother’s Day এবং Father’s Day-এর মতো বিশেষ দিবসগুলো বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়ে উঠছিল। Hallmark বুঝতে পারে, বন্ধুত্বকে কেন্দ্র করেও একটি বিশেষ দিন তৈরি করা গেলে মানুষ বন্ধুদের কার্ড, উপহার ও শুভেচ্ছা পাঠাবে। 

এই উদ্যোগের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে কিছু মানুষের মধ্যে Friendship Day নিয়ে আগ্রহ তৈরি হলেও এটি খুব বেশি জনপ্রিয় হতে পারেনি।

এর অন্যতম কারণ ছিল সাধারণ মানুষের ধারণা, এটি কোনও সামাজিক উদ্যোগ নয়, বরং একটি বাণিজ্যিক প্রচারণা।

এরপর ইতিহাসে আসে আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়।

কেন Paraguay-কে Friendship Day-এর জন্মস্থান বলা হয়?

যদি প্রশ্ন করা হয়, Friendship Day-কে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার কৃতিত্ব কোন দেশের? তাহলে উত্তর হবে প্যারাগুয়ে।

১৯৫৮ সালের ২০ জুলাই প্যারাগুয়ের চিকিৎসক ও সমাজকর্মী Dr. Ramón Artemio Bracho এবং তাঁর কয়েকজন সহকর্মী একটি নৈশভোজের আয়োজন করেন। সেখানে তারা এমন একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগের প্রস্তাব দেন, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল, মানুষে মানুষে বন্ধুত্বের মাধ্যমে শান্তি, সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক সম্মান গড়ে তোলা।

এই সভা থেকেই জন্ম নেয় World Friendship Crusade নামের একটি সংগঠন। তাদের লক্ষ্য ছিল, তারা বন্ধুত্বকে শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্ক হিসেবে দেখেননি; বরং জাতি, ভাষা, ধর্ম ও দেশের সীমানা অতিক্রম করে মানবিক সংযোগের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।

World Friendship Crusade বিভিন্ন দেশে প্রচার চালায় এবং ধীরে ধীরে Friendship Day-এর ধারণা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত হতে শুরু করে।

এই কারণেই অনেক ইতিহাসবিদ এবং আন্তর্জাতিক গবেষক প্যারাগুয়েকেই Friendship Day-এর প্রকৃত জন্মস্থান হিসেবে উল্লেখ করেন। কারণ এখানে Friendship Day প্রথমবারের মতো একটি সামাজিক ও মানবিক আন্দোলনের রূপ পায়, যা পরে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ভিত্তি তৈরি করে।

তবে এখানেই ইতিহাস শেষ নয়। Friendship Day-কে বিশ্বব্যাপী সরকারি স্বীকৃতি পেতে আরও কয়েক দশক অপেক্ষা করতে হয়েছে। সেই স্বীকৃতি আসে জাতিসংঘের হাত ধরে।

জাতিসংঘের স্বীকৃতি: ৩০ জুলাই কীভাবে International Day of Friendship হলো?

প্যারাগুয়ের World Friendship Crusade-এর উদ্যোগ ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নজর কেড়েছিল। কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সামাজিক সংগঠন বন্ধুত্বকে কেবল ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়, বরং বিশ্বশান্তি ও সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরতে শুরু করে।

অবশেষে, ২০১১ সালের ২৭ এপ্রিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ (United Nations General Assembly) একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে ৩০ জুলাইকে “International Day of Friendship” হিসেবে ঘোষণা করে।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বুঝে নেওয়া জরুরি যে জাতিসংঘ Friendship Day-এর সূচনা করেনি; বরং ইতিমধ্যে প্রচলিত একটি ধারণাকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছে।

জাতিসংঘের ঘোষণায় বলা হয়, বিভিন্ন সংস্কৃতি, জাতি, ধর্ম ও দেশের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সংলাপ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম কার্যকর উপায় হতে পারে। তাই এই দিনটি শুধুমাত্র বন্ধুদের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য নয়, বরং মানবিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার একটি বৈশ্বিক আহ্বান ছিল।

এই ঘোষণার পর থেকে বহু দেশ ৩০ জুলাই আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে পালন করলেও, সব দেশ একই তারিখ অনুসরণ করেনি।

তাহলে ভারতে Friendship Day আগস্টের প্রথম রবিবার কেন?

ভারত, বাংলাদেশ, নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে Friendship Day সাধারণত আগস্ট মাসের প্রথম রবিবার পালিত হয়। ফলে অনেকের মধ্যেই একটা প্রশ্ন থাকে, যদি জাতিসংঘ ৩০ জুলাইকে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে, তাহলে এই ভিন্নতা কেন?

এর উত্তর লুকিয়ে আছে নব্বইয়ের দশকের ভারতীয় সমাজে।

১৯৯১ সালের অর্থনৈতিক উদারীকরণের পর ভারতীয় বাজারে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, Greeting Card কোম্পানি, টেলিভিশন চ্যানেল এবং নতুন ধরনের যুব সংস্কৃতির দ্রুত বিস্তার ঘটে। সেই সময় Archies, Hallmark, বিভিন্ন FM Radio Station এবং MTV India Friendship Day-কে তরুণদের উৎসব হিসেবে জনপ্রিয় করে তোলে।

স্কুল-কলেজে রঙিন Friendship Band পরানো, বন্ধুদের হাতে হাতে শুভেচ্ছা কার্ড দেওয়া, ছোট উপহার বিনিময়, এসবই ধীরে ধীরে শহুরে সংস্কৃতির অংশ হয়ে ওঠে।

মজার বিষয় হলো, আগস্টের প্রথম রবিবার হওয়ায় স্কুল ও কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণও বেড়ে যায়। সপ্তাহান্ত হওয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া, সিনেমা দেখা কিংবা ছোটখাটো বিনোদন মূলক আয়োজন করাও সহজ ছিল।

অর্থাৎ ভারতে Friendship Day-এর জনপ্রিয়তা মূলত যুব সংস্কৃতি, মিডিয়া এবং বাজারব্যবস্থার সম্মিলিত প্রভাবের ফল।

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে Friendship Day-এর নতুন পরিচয়

যদি ২০০৫ সালের Friendship Day আর ২০২৬ সালের Friendship Day-কে পাশাপাশি রাখা যায়, তাহলে দুটির চেহারা একেবারেই আলাদা।

এক সময় বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে শুভেচ্ছা জানানো বা হাতে Friendship Band বাঁধাই ছিল সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। এখন সেই জায়গা দখল করেছে Instagram Story, WhatsApp Status, Spotify Playlist, Shared Memories, Facebook Memories এবং Reels।

Gen Z-এর কাছে Friendship Day শুধুমাত্র একটি দিন নয়; এটি নিজের বন্ধুত্বকে ডিজিটালভাবে উদযাপন করারও একটি উপলক্ষ।

শুধু তাই নয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বন্ধুত্বের ধারণাও বদলেছে। এতে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে, ডিজিটাল যুগে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা কি বদলে যাচ্ছে?

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রযুক্তি যোগাযোগ সহজ করলেও প্রকৃত বন্ধুত্বের মূল ভিত্তি এখনও একই, বিশ্বাস, নির্ভরযোগ্যতা এবং পারস্পরিক সম্মান।

অর্থাৎ মাধ্যম বদলেছে, কিন্তু বন্ধুত্বের মৌলিক মূল্যবোধ অতীতে যা ছিল এখনও তাই আছে। 

কৃতজ্ঞতা স্বীকার : Google

Friendship Day নিয়ে প্রচলিত ৫টি ভুল ধারণা

ইন্টারনেটে Friendship Day নিয়ে অসংখ্য তথ্য থাকলেও, তার সবই যে সঠিক সেটা ভেবে নেওয়া একদম ভুল হবে। চলুন দেখে নেওয়া যাক সবচেয়ে প্রচলিত কয়েকটি ভুল ধারণা।

১. Friendship Day সম্পূর্ণ আমেরিকান উৎসব

কিছুটা সত্য হলেও, সম্পূর্ণ বিষয়টি সত্যি নয়। ধারণাটি যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় করার চেষ্টা করা হলেও, আন্তর্জাতিক সামাজিক আন্দোলনের রূপ পায় প্যারাগুয়েতে।

২. জাতিসংঘ Friendship Day শুরু করেছে

না। জাতিসংঘ ২০১১ সালে দিবসটিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেয়। এর ইতিহাস তারও কয়েক দশক পুরোনো।

৩. সব দেশে একই দিনে Friendship Day পালিত হয়।

একেবারেই নয়। কিছু দেশ ৩০ জুলাই পালন করে, আবার ভারতসহ অনেক দেশে আগস্টের প্রথম রবিবার Friendship Day উদযাপিত হয়।

৪. Friendship Band দিয়েই Friendship Day- উদযাপন শুরু।

না। Friendship Band অনেক পরে আসে, বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকে জনপ্রিয় হয়। তার আগে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা, ফুল দেওয়া বা অন্য কোন উপহার দেওয়া বা গ্রিটিংস কার্ড দেওয়ার প্রচলন ছিল।

৫. Friendship Day শুধুই ব্যবসায়িক প্রচারণা

কিছু ক্ষেত্রে এটা সত্য। শুরুর দিকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য থাকলেও পরে এটি সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং আন্তর্জাতিক গুরুত্ব লাভ করে। আজ এটি বন্ধুত্ব, সহমর্মিতা এবং বিশ্বসম্প্রীতির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়।Raise Your Concern About this Content

Friendship Day-এর ইতিহাস  জানা কেন গুরুত্বপূর্ণ ? 

Friendship Day-এর ইতিহাস আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেখায়, প্রতিটি জনপ্রিয় উৎসবের পেছনে থাকে একাধিক গল্প।

এই দিবসের যাত্রা শুরু হয়েছিল বাণিজ্যিক প্রচারণার মাধ্যমে। পরে প্যারাগুয়ের একটি সামাজিক উদ্যোগ এটিকে মানবিক মূল্যবোধের আন্দোলনে রূপ দেয়। শেষ পর্যন্ত জাতিসংঘ সেটিকে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

অর্থাৎ Friendship Day-এর ইতিহাস কেবল একটি তারিখের ইতিহাস নয়; এটি মানুষের সম্পর্ক, সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতারও ইতিহাস।

আজকের দিনে যখন পৃথিবী নানা বিভাজনের মুখোমুখি, তখন Friendship Day আমাদের মনে করিয়ে দেয়, বন্ধুত্ব শুধু ব্যক্তিগত আবেগ নয়, এটি পারস্পরিক বিশ্বাস, সহানুভূতি এবং সামাজিক সংযোগের শক্তিশালী ভিত্তি।

তাই Friendship Day-কে শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট, একটি Friendship Band বা একটি শুভেচ্ছা বার্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, বরং প্রকৃত বন্ধুত্বের মূল্য উপলব্ধি করার দিন হিসেবেও দেখা যেতে পারে।

তথ্যসূত্র

১. রবিন ডানবার, ফ্রেন্ডস: আন্ডারস্ট্যান্ডিং দ্য পাওয়ার অফ আওয়ার মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট রিলেশনশিপ।
২. আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (APA)- বন্ধুত্ব, সামাজিক সম্পর্ক এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে একাধিক গবেষণা।
৩. এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৪. ব্রিটিশ কাউন্সিল, ফ্রেন্ডশিপ ডে- এর উৎপত্তি, Paraguay-এর ভূমিকা এবং UN-এর স্বীকৃতির সহজ ব্যাখ্যা রয়েছে।
৫. জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস -এর উদ্দেশ্য, ইতিহাস এবং ৩০ জুলাইকে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে ঘোষণার তথ্য।

শ্রেয়া ভদ্র
শ্রেয়া ভদ্র
বর্তমানে মাইক্রো ড্রামা স্ক্রীপ্ট আর বাংলা অডিও স্টোরিতে নিজের পরিচয় গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। সিনেমা দেখা, বই পড়া, নতুন নতুন বিষয় নিয়ে ব্লগ লেখা পছন্দের সঙ্গে সঙ্গে ঘুরতেও ভালো লাগে। ভবিষ্যতে নিজের বই প্রকাশে আগ্রহী।
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

বাংলা ক্যালেন্ডার

- বিজ্ঞাপন -spot_img

Most Popular

Recent Comments