অদ্ভুৎ পরিবেশ এখন বাংলায়, ডিসেম্বর শেষ হতে না হতেই জানুয়ারীর ঠান্ডা হাড় কাঁপিয়ে দিচ্ছে। একটা উৎসবের বাতাবরণ এখন বাংলার আকাশ বাতাস জুড়ে। এরই মধ্যে ছোট বড় সবাই প্ল্যান করে চলেছে, পিকনিকের তো এটাই আসল সময়। ঘাসে বাতাসে হিমের পরশ, কোথাও যেন হারিয়ে যায় মন। বদ্ধ ঘরের চার দেয়াল আর দৈনন্দিন কাজের সিডিউল থেকে বেরিয়ে একটু বাইরে ঘুরে আসতে চায় বাঙালীর মন, কেউবা পরিবারের লোকজনের সাথে, কেউবা বন্ধু-বান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশী অথবা সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে। ডিসেম্বর জানুয়ারি মাস মানেই বড়দিন, নববর্ষ, কল্পতরু উৎসব, ২৩শে – ২৬শে জানুয়ারী। আর তাই নিয়ম করে সেই কবে থেকেই সবাই জড়ো হয় চিড়িয়াখানায়, বিভিন্ন পিকনিক স্পটে, জড়ো হয় ছোট বড় সবাই। এমনিতেই বাঙ্গালী ভোজন রসিক, তার মধ্যে পিকনিক। তাই কড়াইশুঁটির কচুরি, আলুর দম, লুচি, মাটনকারী এসব হবে না তা কি হয়! চলুন আজকে গল্প করি, এই পিকনিকে সঙ্গে বাঙ্গালীদের পরিচয়ের গল্প।
পিকনিকের ইতিহাস
পিকনিক শব্দটি এসেছে ফরাসি Pique-nique থেকে।১৭শ শতকে ফ্রান্সে এই শব্দের ব্যবহার দেখা যায়। যার অর্থ বন্ধুদের মিলন ভোজ। সেখানে সবাই নিজের মতো করে খাবার নিয়ে আসতো। এরপর ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের সময় ব্যস্ত জীবন থেকে মুক্তি পেতে মানুষ অবসর সময় বিনোদন হিসাবে পিকনিক কি বেছে নেয়। পার্ক,লেক গ্রামাঞ্চলে গিয়ে একটুক নিজের মত সময় কাটানো কে টিকটিকির রূপ পায়। পরে এর ছোঁয়া এসে পড়ে ভারত ও উপমহাদেশে। ব্রিটিশ শাসনামলে পিকনিকের ধারণা ভারতে এসে ভারতীয় স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে যায় সেই থেকে চলছে পিকনিকের প্রচলন।

বাঙালি পিকনিকের ইতিহাস
বাঙালি পিকনিকের ধারণা মূলত ব্রিটিশ শাসনামলে জনপ্রিয় হয়। ইংরেজ সাহেবদের আউটিং বা পিকনিক পার্টি দেখে কলকাতার শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজ এ ধারণাকে আপন করে নেয়। এই সময় শীতকালে গঙ্গার ধারে বাগানবাড়িতে বা একদিনের ভ্রমণ চলতো। সেই থেকে শুরু হয় বাঙ্গালীদের পিকনিক এর প্রথা।
বাবু সংস্কৃতি ও নবজাগরণ
আমাদের বাঙালী সংস্কৃতিতে এই পিকনিক ঢুকলো কবে থেকে।এটাতো প্রশ্ন এসেই যায়। তাই না? তাহলে বলি শোন ,নবজাগরণের সময় কলকাতার বাবুসমাজ পিকনিককে আড্ডা, সাহিত্যচর্চা, গান ও নাটকের সঙ্গে যুক্ত করে। পরিবারের পাশাপাশি বন্ধু ও সহকর্মীদের নিয়ে দলবদ্ধভাবে যাওয়ার রেওয়াজ গড়ে তুলে।

বাঙালীর আধুনিক পিকনিক
বর্তমানে পিকনিক শুধু খাবার নয় -ভ্রমণ, খেলাধুলা, গান বাজনা ও প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটানো সুযোগ।স্কুল, অফিস, পরিবার আধুনিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কৃতি।
গ্রাম বাংলা ও বনভোজন
গ্রাম বাংলায় পিকনিক বনভোজন নামে পরিচিত। শীতকালে ফসল কাটার পর খোলা মাঠে, নদীর চরে, আম বাগানে বনভোজন ছিল আনন্দের উপলক্ষ।
আধুনিক সময় পিকনিক
সময় পাল্টেছে।ব্যস্ততাও বেড়েছে।বর্তমান সময়ে পিকনিকের জন্য আর খোলা মাঠ খুঁজে পাওয়া কঠিন। তাই স্কুল অফিস, ক্লাব পিকনিক, রিসোর্ট, ইকোপার্ক, পাহাড়, সমুদ্র পর্যন্ত বিস্তৃত। পিকনিকের জায়গা কম তাই এখন সবাই মিলে দলবেঁধে কোথাও গিয়ে একটু নিজেদের মতন করে রান্নাবান্না খেলাধুলা আনন্দ করে দিন কাটাতে বেছে নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন জায়গা।
- আধুনিক জীবনে পিকনিকের অপরিহার্যতা
- বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পিকনিক বা বনভোজনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। এটি কেবল আনন্দদায়ক ভ্রমণ নয়, বরং মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর ইতিবাচক প্রভাব বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।
- মানসিক প্রয়োজনীয়তা
- শারীরিক প্রয়োজনীয়তা
১. মানসিক চাপ হ্রাস (Reduction of Cortisol)
প্রকৃতির মাঝে সময় কাটালে মানবদেহে কর্টিসল (Cortisol) নামক স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমে যায়। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, সবুজের সান্নিধ্য মস্তিষ্কের ‘প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স’কে বিশ্রাম দেয়, যা মানসিক ক্লান্তি দূর করে এবং দুশ্চিন্তা কমায়।
২. ভিটামিন-ডি এর উৎস (Vitamin D Synthesis)
পিকনিক সাধারণত দিনের বেলা খোলা জায়গায় হয়। সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসায় শরীরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ডি তৈরি হয়। এটি হাড়ের গঠন মজবুত করে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immune System) বৃদ্ধি করে। [২]
৩. মনোযোগ ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি (Attention Restoration Theory)
মনোবিজ্ঞানের ‘অ্যাটেনশন রিস্টোরেশন থিওরি’ (ART) অনুযায়ী, শহরের যান্ত্রিক কোলাহল থেকে দূরে প্রকৃতির শান্ত পরিবেশে থাকলে মানুষের মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা এবং সৃজনশীল চিন্তা বৃদ্ধি পায়। এটি মস্তিষ্কের নিউরনগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে। [৩]
৪. সামাজিক বন্ধন ও অক্সিটোসিন নিঃসরণ (Social Bonding)
পিকনিকে বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের সাথে দলগত কাজ (যেমন: রান্না করা, খেলাধুলা) করলে শরীরে অক্সিটোসিন (Oxytocin) হরমোন নিঃসৃত হয়। একে ‘লাভ হরমোন’ বলা হয়, যা মানুষের মধ্যে সামাজিক বিশ্বাস, নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক সম্পর্কের গভীরতা বাড়ায়।
৫. শারীরিক ব্যায়াম (Physical Activity)
পিকনিকের সময় আমরা সাধারণত হাঁটাচলা, দৌড়াদৌড়ি বা আউটডোর গেমসে অংশ নিই। এই বাড়তি শারীরিক পরিশ্রম রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
৬. সতেজ অক্সিজেন ও ফুসফুসের কার্যকারিতা
শহরের দূষিত বাতাসের তুলনায় বনাঞ্চল বা খোলা মাঠের বাতাস অনেক বেশি নির্মল ও অক্সিজেন সমৃদ্ধ। সতেজ অক্সিজেন গ্রহণের ফলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ে এবং শরীরের প্রতিটি কোষে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়।
- গ্রাম বাংলা ও বনভোজন / চড়ুইভাতি আধুনিক জীবনে পিকনিকের অপরিহার্যতা
গ্রাম বাংলা ও বনভোজন বা চড়ুইভাতি বাঙালির বারো মাসের তেরো পার্বণের মতোই আনন্দদায়ক এক উৎসব। বিশেষ করে শীতকাল এলেই গ্রামবাংলার প্রান্তরে প্রান্তরে চড়ুইভাতির আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।
গ্রামের বনভোজন ও চড়ুইভাতির কিছু মূল বৈশিষ্ট্য ও নস্টালজিয়া নিচে তুলে ধরা হলো:
১. চড়ুইভাতি বনাম বনভোজন
- চড়ুইভাতি: এটি সাধারণত ছোট পরিসরে, পাড়ার বন্ধু-বান্ধব বা শিশুদের নিয়ে হয়। “চড়ুই পাখির মতো অল্প ভাত খাওয়া” বা সামান্য আয়োজন থেকে এর নাম হয়েছে চড়ুইভাতি । এটি প্রায়ই বাড়ির আঙিনায়, কোনো বাগান বা বাগিচায় হয় ।
- বনভোজন: এটি একটু বড় পরিসরে এবং সাধারণত কোনো মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে যেমন নদীর তীর, পার্ক বা ঐতিহাসিক স্থানে আয়োজন করা হয় ।
২. গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী চিত্র
- আয়োজন: গ্রামে অঘ্রাণ মাসে ধান কাটার পর ফাঁকা মাঠে চড়ুইভাতির ধুম পড়ে । আঞ্চলিক ভাষায় একে অনেক সময় ‘তুফাতি’ বা ‘ভুলকা ভাত’ ও বলা হয়।
- রান্না ও সরঞ্জাম: মাটির উনুনে লাকড়ি বা শুকনো পাতা দিয়ে রান্না করার মজাই আলাদা । সবাই বাড়ি থেকে চাল, ডাল, লবণ বা সবজি সংগ্রহ করে এই প্রীতিভোজের আয়োজন করে ।
- মেনু: সাধারণত খিচুড়ি, ডিমের কারি বা শীতকালীন সবজি দিয়ে সাধারণ মেনু থাকলেও খোলা আকাশের নিচে মাটির হাঁড়িতে রান্না করার কারণে সেই স্বাদ হয় অতুলনীয় ।
৩. আনন্দ ও নস্টালজিয়া
- সামাজিক বন্ধন: পিকনিক বা চড়ুইভাতি কেবল খাওয়ার আয়োজন নয়, বরং এটি হাতে হাত রেখে কাজ করা এবং পারস্পরিক ঐক্য ও সম্প্রীতি বাড়াতে সাহায্য করে।
- খেলাধুলা ও বিনোদন: রান্নার ফাঁকে চলে ব্যাডমিন্টন, লুডু বা তাস খেলা। কখনো কখনো গান-বাজনা বা বিচিত্রানুষ্ঠানও এই আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় ।
৪. আধুনিক রূপান্তর
সময়ের সাথে সাথে গ্রাম বাংলার সেই আদি চড়ুইভাতির রূপ অনেকটা বদলে গেছে। এখন অনেক ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক পিকনিক স্পট বা ক্যাটারিং সার্ভিসের মাধ্যমে পিকনিক হয় । তবুও শৈশবের সেই খেত থেকে পেঁয়াজ চুরি করে আনা বা বাড়ির বড়দের চোখ এড়িয়ে রান্নাবাটি খেলার মতো চড়ুইভাতি আজও বাঙালির হৃদয়ে চিরস্থায়ী স্মৃতি হয়ে আছে
পিকনিকের ম্যানু
ভোজন প্রিয় বাঙালির পিকনিক মানে নানা রকম খাওয়া দাওয়া। যেখানে থাকতে হবে ফ্রাইড রাই, ভেজিটেবল পোলাও, চিলি চিকেন, মাটনকারী, ফিস ফ্রাই, কষা মাংস ইত্যাদি। পিকনিকে গানের তালে তালে বা খেলার সময় হাতে একটু বেগুনি, পিয়াজি, সিঙ্গারা এগুলো না হলে কি হয়? শেষ পাতে একটু কিন্তু পায়েস রসগোল্লা বা অন্যান্য মিষ্টির পদ একটা চাই চাই।মোটকথা পিকনিকে যাব খাওয়া-দাওয়া যেন ঠিকঠাক হয়। বাচ্চাদের জন্য চকলেট, চিপস পপকন এগুলো নিয়ে নিতে হয়।Raise Your Concern About this Content
জীবনের ব্যস্ততায় বদলে গিয়েছে বাঙালির পিকনিক
সময়ের বড্ড অভাব তাই গেছে বাঙালির পিকনিক। পরিবারের স্ত্রী পুরুষ সবাই ছুটছে কাজে তাই এখন আর ভোট ঘর থেকে নিজেরা রান্না করে নিয়ে যাওয়াটা কষ্টকর হয়ে যায়। আমি যেখানে মা কাকিমারা বাড়ি থেকে খাবার তৈরি করে নিয়ে যেত সেখানে এখন ক্ষনিকের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ক্যাটারারদের। কি করা যাবে ব্যস্ত একটুক তো শান্তি দরকার। একটু নিজেদের মতন সময় কাটাতেই ই আয়োজন। তাই রান্নার ভারটা যদি ক্যাটারারদের হাতে চলে যায় তাহলে কিছুটা নিষ্কৃতি।
কলকাতায় কিছু পিকনিক স্পট
কলকাতার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পিকনিক স্পট হল
১. ইকোপার্ক নিউ টাউন (কলকাতা)
সুন্দরভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা লন,লেক ও সাইক্লিং ট্রাক,
পরিবার ও স্কুল পিকনিকের জন্য আদর্শ।
২.প্রিন্সেপ ঘাট (কলকাতা)
উপনিবেশিক সৌন্দর্য সহ নদীর ধারের পিকনিক
স্বল্প সময়ে ভ্রমণ ফটোগ্রাফি ও সন্ধ্যার পিকনিকের জন্য উপযুক্ত।
৩.আলিপুর চিড়িয়াখানা : ছোটদের নিয়ে পিকনিকের জন্য এটি একটি চিরকালীন পছন্দের জায়গা।
৪.ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল (Victoria Memorial): শহরের হৃদকেন্দ্রে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক স্থানের বিশাল চত্বর পারিবারিক ভ্রমণের জন্য আদর্শ।
উত্তরবঙ্গের আশেপাশের কিছু পিকনিক স্পট / আউটিং স্পট
১.রায়চক অন গঙ্গা (দক্ষিণ 24 পরগনা)
গঙ্গার মনোরম দৃশ্য
রিসোর্ট বাগান ও খোলা জায়গা
অফিস পিকনিকের জন্য জনপ্রিয়
২.ডায়মন্ড হারবার
শান্তর নদীর তীরবর্তী গন্তব্য
৩.শান্তিনিকেতন (বীরভূম)
সংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশ
শীতকালে ও পৌষ মেলার সময় সবচেয়ে ভালো
শিল্প ও ঐতিহ্য ঘেরা শান্ত পিকনিক
৪.মন্দারমনি
সমুদ্রতটে পিকনিক স্পট
শীতকালই সেরা সময়
৫.গাদিয়াড়া (হাওড়া)
দামোদর ও রূপনারায়ণ নদীর সঙ্গমস্থল
সবুজ খোলা জায়গা
৬.সুশুনিয়া পাহাড় (বাঁকুড়া)
প্রকৃতি পাহাড় ও প্রাচীন শিলালিপি
অ্যাডভেঞ্চার প্রেমী ও পিকনিকের জন্য ভালো
৭.মুকুটমণিপুর
বাঁধ, বনাঞ্চল ও বিস্তৃত প্রাকৃতিক দৃশ্য
৮.বোটানিক্যাল গার্ডেন , শিবপুর
প্রকৃতির মাঝে বড় বটগাছের নিচে বসে পিকনিক করার জন্য এটি সেরা জায়গা।
৯.বনবিতান বা সেন্ট্রাল পার্ক , সল্টলেক: শহরের ভেতরে এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম খোলা জায়গা, যেখানে লেক এবং নানা রঙের বাগান রয়েছে।
একটু নিরিবিলি বাগানবাড়ি ও রিসোর্ট (বুকিং প্রয়োজন)
- নীলদীপ গার্ডেন (Neeldeep Garden): আমতলা-বারুইপুর রোডে অবস্থিত এই বাগানবাড়িটি বড় দল বা ফ্যামিলি পিকনিকের জন্য জনপ্রিয়।
- রায় কুঠির পিকনিক গার্ডেন (Roy Kuthir): রাজারহাটের কাছে অবস্থিত এই স্পটটি সুপারি গাছের বাগান এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশের জন্য পরিচিত ।
- শান্তিনিকেতন পিকনিক স্পট, বোটানগর: গঙ্গার তীরে অবস্থিত এই স্পটটি নিরিবিলি পরিবেশের জন্য উপযুক্ত।
পিকনিকের পরিকল্পনা করার আগে বর্তমান ভিড় এবং প্রবেশ মূল্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা বা Tripadvisor-এর মতো ওয়েবসাইট দেখে নেওয়া ভালো।
এই হল কিছু প্রসিদ্ধ পিকনিক স্পট। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় পিকনিকের আয়োজন হয়ে থাকে। এককথায় বলা চলে পিকনিক মানুষের সামাজিকতা, অবসর ও প্রকৃতি প্রেমের ইতিহাস কে এক সূত্রে বেঁধে রেখেছে। বাঙালির কাছে পিকনিক মানে খাওয়া-দাওয়া নয় এটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠান যা বন্ধুদের সাথে শীতের দিনে আনন্দ করার একটি ঐতিহ্যবাহী উপায়।একটু প্রেমুএকটু খেলা ধুলা,খাওয়া দাওয়া।আর একটু একটু মুহূর্তে গড়ে উঠে চীরস্মৃতির গল্প।কিছু বিশেষ মুহূর্ত যা মনের কোনে থেকে যায় সারাজীবন।
তথ্যসূত্র:
- হার্ভার্ড হেলথ: প্রকৃতির স্বাস্থ্যের উপকারিতা
- ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ: ভিটামিন ডি এবং সূর্যালোক
- KOLKATA TRAVEL GUIDE 2025
- The Complete Kolkata Travel Guide 2026



